
শুরু থেকে আমাদের বলা হয় দুধ খেতে। দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খেলে আমাদের হাড় শক্ত হয় এটাই জানি। অনেকে বেশি বেশি করে দুধ পান করেন। তাদের ধারাণা বেশি দুধ পানে বেশি পুষ্টি।
কিন্তু সব খাবারের পরিমাণ থাকে। বেশি খেয়ে ফেললে বাড়ে জটিলতা।
কতটুকু খাবেন?
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার দিনে কয় গ্লাস দুধ খাবেন তা না জানিয়ে কতটা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া উচিত তার ওপর জোর দিয়েছে। একজন ব্যক্তি যিনি দিনে ২০০০ ক্যালোরি খান, তাদের প্রতিদিন তিন কাপ দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া উচিত।
দুগ্ধ জাতীয় খাবার যেমন চিজ, দই, আইসক্রিম, বাটার, ঘি ইত্যাদি সবই গরুর দুধ বা ছাগলের দুধ থেকে তৈরি করা হয়। আর এতে ওই সব উপাদাই আছে যেটা আপনার শরীরের জন্য দরকার। যেমন: ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি১২ সবই দুগ্ধজা খাবারে পাওয়া যায়।
যদিও ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার (ইউএসডিএ) প্রতিদিন তিন গ্লাস দুধ বা দুগ্ধজাত খাওয়ার কথা বলেছে। তবে বয়স অনুসারে একটু ভিন্ন হতে পারে। দুই থেকে তিন বছর বয়সী শিশুদের জন্য, প্রতিদিন দুই কাপ দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই পরিমাণ চার থেকে আট বছর বয়সী শিশুদের জন্য আড়াই কাপ বৃদ্ধি পাবে। এরপর নয় বছর বা তার বেশি বয়সের জন্য তিন কাপ পরিমান দুগ্ধজাত খাবার খেতে পারবে।
বেশি দুধ খাওয়া কি শরীরের জন্য ভালো?
লাইভস্ট্রং নামের একটি অনলাইন পোর্টল অনুসারে, প্রতিদিন অত্যধিক দুধ পান করলে হজমের সমস্যা হতে পারে। অনেক বেশি দুধের পুষ্টি গ্রহণের ফলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। সঠিক পরিমাণে দুধ পান স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু অত্যধিক পান করলে এর বিপরীত হতে পারে। দুধে শুধু স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে না চিনিও থাকে। হেলথলাইন অনলাইন পোর্টল অনুসারে, এক কাপ দুধে ৩.২৫শতাংশ ফ্যাট, ক্যালোরি ১৫২ গ্রাম, চিনি ১২ গ্রাম, ৪ গ্রাম ফ্যাট এবং ৮.১৪গ্রাম প্রোটিন আছে।
আবার দুধে থাকে ল্যাকটোজ। এটা অনেকেই হজম করতে পারে না। এর ফলে হতে পারে পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, পেটে গ্যাস জমা ইত্যাদি।
সূত্র : টেস্টিং টেবিল।
Leave a Reply