অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগে কুড়িগ্রামের দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক উৎপল কান্তি সরকারের মান্থলি পে অর্ডার (এমপিও) স্থগিত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। মহাপরিচালকের নির্দেশক্রমে মাউশির শিক্ষা কর্মকর্তা (মাধ্যমিক-১) মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত পত্রে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। এর ফলে ওই প্রধান শিক্ষক জুন মাসে প্রদেয় মে মাসের বেতনের টাকা উত্তোলন করতে পারবেন না।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার (ডিইও) মো. শামসুল আলম।মাউশির পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শোকজের জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত না হওয়ায় দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি সরকারের বেতন ভাতাদি ১ মে থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হলো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানশিক্ষক উৎপল কান্তি সরকার বলেন, ‘আমি জানি না। পারিবারিক কাজে ছুটিতে আছি। না দেখা পর্যন্ত কিছু বলতে পারছি না।’
অভিযোগ রয়েছে, দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি সরকারের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রবেশপত্র বিতরণ ও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে স্কুল মাঠে পশুর হাট বসানো এবং সরকারি বরাদ্দ এবং বাণিজ্যিক ঘরের ভাড়াসহ বিদ্যালয়ের নিজস্ব আয়ের প্রায় আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। তদন্তে এসব অভিযোগের সত্যতা পায় উপজেলা প্রশাসন।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে মাউশির মহাপরিচালক বরাবর প্রতিবেদন পাঠান কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম। ২০২০ সালে পাঠানো ওই প্রতিবেদন গত চার বছরেও আলোর মুখ দেখেনি।
অভিযোগ আছে, মাউশির অসাধু কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে ফাইল ‘গায়েব’ করেন প্রধান শিক্ষক। ফলে জেলা প্রশাসকের সুপারিশও আমলে নেয়নি মাউশি।
এইচএসডিএফ ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা, সম্পাদক : দেলোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এস এম ইমন, আইন উপদেষ্টা : অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবু হানিফ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
মোবাইল নাম্বার -০১৬১০৫১৭৭০৩, Mail-ajkerkagojbd22@gmail.com
ঠিকানা: বাড়ি ১৮, রোড ০১, সেকশন ০৮, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
Copyright © 2026 আজকের কাগজ. All rights reserved.