ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কক্সবাজারে লাখো পর্যটকের আগমন, শহরটি পরিণত হয়েছে এক উৎসবমুখর গন্তব্যে। রবিবার (২২ মার্চ) সকাল থেকেই সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা, লাবণীসহ প্রধান পর্যটন স্থানগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়।
এবার ঈদের ছুটি ৭ দিনের হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধব নিয়ে অনেকেই কক্সবাজারে এসেছেন ভ্রমণের জন্য। বালুকাবেলায় তারা উপভোগ করছেন ঈদের আনন্দ।
নরসিংদী থেকে আসা পর্যটক মোমেন মাহমুদ বলেন, কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবসময়ই আমাকে মুগ্ধ করে, তাই ঈদ কাটাতে এখানে এসেছি। আরও দুই দিন থাকব। এখানে এসে খুব ভালো লাগছে।
পর্যটক সমাগমের কারণে পর্যটন ব্যবসায়ও ফিরে এসেছে প্রাণ। বিশেষ করে শুঁটকি ব্যবসায়ীরা আবারও ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বার্মিজ মার্কেটের শুঁটকি দোকানি মফিজুর রহমান জানান, রমজানে ব্যবসা বন্ধ ছিল, তবে গত দুই দিনে প্রচুর পর্যটক এসেছে। আশা করছি আগামী দিনে ব্যবসা আরও ভালো হবে।
হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টে ৫ শতাধিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানের কোনো রুম খালি নেই। অধিকাংশ হোটেল ইতিমধ্যে ৩০ মার্চ পর্যন্ত অগ্রিম বুকিং পেয়ে গেছে, জানিয়েছেন হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার।
তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে পর্যটকদের চাপ বেড়েছে। সব হোটেলেই পর্যটকরা আছেন। আমরা সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছি যেন পর্যটকদের হয়রানি না হয় এবং সঠিক মূল্যে সেবা দেওয়া হয়।
এছাড়া, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য জেলা প্রশাসন, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান জানান, পর্যটকরা আমাদের শহরের অতিথি, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান অব্যাহত থাকবে।
এইচএসডিএফ ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা, সম্পাদক : দেলোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এস এম ইমন, আইন উপদেষ্টা : অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবু হানিফ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
মোবাইল নাম্বার -০১৬১০৫১৭৭০৩, Mail-ajkerkagojbd22@gmail.com
ঠিকানা: বাড়ি ১৮, রোড ০১, সেকশন ০৮, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
Copyright © 2026 আজকের কাগজ. All rights reserved.