চরফ্যাশনে সন্তানদের মধ্যে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে ফজল বেপারীর নেতৃত্বে প্রতিবেশী হামিদ মুন্সী ও তার পরিবারের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
গত শনিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে শশীভূষণ থানাধীন চর কলমি ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডের মেঘভাসান সুলিজ বাজারে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় আহতরা হলেন - হামিদ,মজিবল,জসিম,সবুজ। আহতদের সবাইকে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নেওয়ার কথা রয়েছে।
এ ঘটনায় আহত হামিদ মুন্সির পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
হামিদ মুন্সীর ভগ্নিপতি নুরনবী পাটওয়ারী বলেন, ঘটনার দিন দিনের বেলা সকাল ৮ টার দিকে সুলিজ এলাকায় ফজলের ছেলের জিসান সাথে হামিদ মুন্সির ছেলে জিহাদের ঝগড়া হয়। ঝগড়ার পর হামিদ মুন্সী ফজলের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ফজলের স্ত্রী ইয়ানুর বেগম হামিদ মুন্সিকে দেখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।
পরে হামিদ মুন্সি স্থানীয় সুলিজ বাজারে একটি ফার্মেসীতে বসলে সেখানে ফজলের ছেলে শাকিল এসে হামিদ মুন্সিকে হুমকি ধামকি দিলে সেখানে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয় । এ সময় উপস্থিত লোকজন উভয়কে থামিয়ে দেয় । স্থানীয় বিএনপি নেতা আলমগীর মাতাব্বর বিষয়টি নিয়ে ফজল ও হামিদ মুন্সিকে আপোষের কথা বললেও ফজল তাতে রাজি হয়নি। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় হামিদ মুন্সি ও অন্যান্য আহতরা সুলিজ বাজারে আসলে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে থাকা ফজল এর লোকজন ধারালো অস্ত্র ও লাটিসোটা নিয়ে অতর্কিত হামলা করে হামিদ মুন্সী সহ চারজনকে ধারালো অস্ত্র হাতে কুপিয়ে জখম করে। হামলায় অংশ নেয়
ফজল, ফারুক, মফিজ,আলমগীর, ফজলু, তাজল, ইয়াছিন,শাকিল, আলতাফ হোসেন, মনতাজ সহ আরো ৪-৫ জন।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ফজল ও তার গ্রুপের ফারুককে মুটোফোনে কল দিলেও তারা কল রিসিভ করেন নি।
শশীভূষণ থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বলেন, পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়েছে, ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এইচএসডিএফ ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা, সম্পাদক : দেলোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এস এম ইমন, আইন উপদেষ্টা : অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবু হানিফ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
মোবাইল নাম্বার -০১৬১০৫১৭৭০৩, Mail-ajkerkagojbd22@gmail.com
ঠিকানা: বাড়ি ১৮, রোড ০১, সেকশন ০৮, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
Copyright © 2026 আজকের কাগজ. All rights reserved.