সবাই বলে ছোটবেলায় বেশি বেশি ন্যাড়া হলে চুল তত বেশি ঘন হয়ে ওঠে। এটি আসলে পৌরাণিক বা সমাজে প্রচলিত লোক কাহিনি। এর বৈজ্ঞানিক কোনো প্রমাণ মিলে না। যদিও পুরোনো এই ধারণা এখনো টিকে আছে।
চুল ফেলে দিলে নতুন চুল আগের চেয়ে ঘন হয়? কী বলছে বিজ্ঞান?
যুক্তরাষ্ট্রের পাবমেড সেন্ট্রালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এই বিষয়ে বলা হয়েছে। চলুন জেনে নেই কী বলছেন বিজ্ঞানীরা।
১. বিজ্ঞানীরা বলছেন, ন্যাড়া হওয়ার পরে যে চুল গজায় তা দেখতে ঘন বলে মনে হয়। বিশেষ করে চুল যখন একেবারে ছোট থাকে। তখন মাথায় হাত দিলে মনে হয় চুলের ঘনত্ব অনেক বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু বিষয়টি অত সহজ নয়। পুরানো চুল বৃদ্ধি পেলে সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসতে আসতে হালকা হয়ে যায়। আবার রং পাল্টে যায়। কিন্তু মাথার নিচে চুলগুলো যখন বড় হতে থাকে তখন দেখতে বেশ কালো লাগে। চুলের আগা এবং গোড়াও মোটা থাকে। দেখে মনে হয় কত চুল।
২. চুল বড় হতে থাকলে বোঝা যায় আগের মতোই আছে। এর কারণ তখন চুলের ঘনত্ব কমে যায়। কারণ মাথার ত্বকের তলায় গোড়াগুলো শুকিয়ে যায়। মৃত গোড়াগুলো থেকে নতুন করে চুল গজায় না।
৩. চুল ফেলে দেওয়ার সময় অনেকেই ভাবেন, ত্বকের তলায় না গজানো কিছু গোড়া রয়ে গিয়েছে। ভালো করে মাথা কামিয়ে ফেললে সেই গোড়া থেকে চুল বের হবে। কিন্তু আসলে হয় না। কারণ, এমন কোনো কিছু সেখানে নেই। বিশেষজ্ঞরা বলেন, চুল ন্যাড়া করার অর্থ হচ্ছে মাথার ওপরে চুলের যতটুকু অংশ আছে শুধু সেটুকুই ফেলে দিচ্ছেন। এর ফলে আপনার হেয়ার ফলিকলের স্বাস্থ্যোন্নতি হওয়া সম্ভব নয়। চুলের স্বাস্থ্যে জিন বা বংশগতির ধারার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। তাই বাচ্চাকে যত বারই ন্যাড়া করুন না কেন পরিবারের অন্য সবার মতোই চুলের ধারা পাবে।
৪. তবে ন্যাড়া হওয়ার একটি সুবিধা আছে। অনেকের চুল পড়ার সমস্যা আছে। তাদের চুল বড় হলে বেশি পড়তে থাকে। ন্যাড়া হলে আবার যখন নতুন চুল গজায়। তখন চুল সহজে পড়ে যায় না।
৫. আবার চুল ফেলে দিলে অসুবিধাও আছে। মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। রোদ লাগলে ত্বকের সমস্যাও হতে পারে।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা, হেল্থলাইন।
এইচএসডিএফ ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা, সম্পাদক : দেলোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এস এম ইমন, আইন উপদেষ্টা : অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবু হানিফ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
মোবাইল নাম্বার -০১৬১০৫১৭৭০৩, Mail-ajkerkagojbd22@gmail.com
ঠিকানা: বাড়ি ১৮, রোড ০১, সেকশন ০৮, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
Copyright © 2026 আজকের কাগজ. All rights reserved.