ইরানের সাম্প্রতিক হামলার পর দুবাই যেন এক ভিন্ন শহরে পরিণত হয়েছে। পর্যটনের ভরা মৌসুমের সময়েও শহরের সমুদ্রসৈকত, শপিংমল ও হোটেল ব্রাঞ্চ প্রায় ফাঁকা। ব্যস্ত মহাসড়কগুলোতে গাড়ি কম, আর আকাশেও ছিল না নিয়মিত ওঠানামা করা বিমানের সারি।
দুবাই ম্যারিনায় সাধারণত ইয়ট ও নৌকা পার্টির ভিড় থাকে, সেটিও ছিল অস্বাভাবিকভাবে শান্ত।
অনেক বাসিন্দার কাছে পরিস্থিতি ছয় বছর আগের কোভিড-১৯ লকডাউনের সময়ের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, যখন বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ট্রানজিট হাব হঠাৎ স্তব্ধ হয়ে পড়েছিল তখন। স্কুলগুলো আবারও অনলাইনে ক্লাস শুরু করেছে, পরিবারগুলো ঘরের ভেতরেই অবস্থান করছে।
সিএনএনের প্রতিবেদক জানান, মনে হচ্ছে কোভিডের দিনগুলো ফিরে এসেছে—নীরবতা, রোদেলা আকাশ, পাখির ডাক, কিন্তু নেই যানবাহন বা বিমানের শব্দ।
কিছু বাসিন্দা দ্রুত সুপার মার্কেটে গিয়ে প্রয়োজনীয় পণ্য মজুত করেছেন। মুদি পণ্যের ডেলিভারি অ্যাপগুলো চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দেরির কথা জানিয়েছে। সাধারণত রাত পর্যন্ত জমজমাট থাকা এলাকাগুলোতেও ছিল জনশূন্যতা।
আকাশসীমা বন্ধ থাকায় অনেকে গাড়িতে করে দেশের অপেক্ষাকৃত শান্ত এলাকায় চলে গেছেন। ওমান সীমান্তের কাছে একটি হোটেল বাড়ি ফিরতে না পারা পর্যটকদের জন্য কনফারেন্স কক্ষকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রূপান্তর করেছে।
কেউ কেউ সড়কপথে ওমানেও পাড়ি জমান—প্রাথমিকভাবে অঞ্চলটির একমাত্র দেশ, যা শনিবারের ইরানি হামলা থেকে অক্ষত ছিল। তবে রোববার ওমানি কর্তৃপক্ষ জানায়, সেখানেও দুটি ড্রোন একটি বন্দরে আঘাত হেনেছে।
নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য পরিচিত দুবাইয়ে কোনো সরকারি বোমা আশ্রয়কেন্দ্র নেই। অনেক বাসিন্দা শনিবার রাত কাটিয়েছেন ভূগর্ভস্থ পার্কিং গ্যারেজে। অভিভাবকরা আতঙ্কিত শিশুদের বিস্ফোরণের বাস্তবতা থেকে দূরে রাখতে চেষ্টা করছেন।
কেউ কেউ তাদের সন্তানদের বলছেন, এগুলো রমজানের আতশবাজি বা ইফতারের সময় ছোড়া ঐতিহ্যবাহী কামানের শব্দ, যা অনেক মুসলিম দেশে প্রচলিত।
সূত্র: সিএনএন
এইচএসডিএফ ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা, সম্পাদক : দেলোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এস এম ইমন, আইন উপদেষ্টা : অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবু হানিফ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
মোবাইল নাম্বার -০১৬১০৫১৭৭০৩, Mail-ajkerkagojbd22@gmail.com
ঠিকানা: বাড়ি ১৮, রোড ০১, সেকশন ০৮, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
Copyright © 2026 আজকের কাগজ. All rights reserved.