সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও মধ্যানগর উপজেলায় গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী বৃষ্টিতে বোরো ধানের জমিতে পানির সংকট অনেকটাই কমে গেছে। এতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে চলতি মৌসুমের বোরো আবাদ।
দীর্ঘদিনের খরার পর এক পশলা বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার কৃষকেরা। দীর্ঘ প্রায় ৮-৯মাস উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বোরো ধানের জমিতে পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছিল। ফলে বাধ্য হয়ে কৃষকদের গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ দিতে হচ্ছিল। এসব নলকূপ বিদ্যুৎ বা ডিজেলচালিত ইঞ্জিনে পরিচালিত হওয়ায় লোডশেডিং ও জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্যের কারণে সেচ ব্যয়ও বেড়ে যায়। এতে অনেক কৃষকই আর্থিক চাপের মধ্যে পড়েছিলেন।
স্থানীয় কৃষকেরা জানান,শুক্রবার সন্ধ্যার বৃষ্টিতে জমিতে আর্দ্রতা বেড়েছে এবং ধানের গাছ নতুন করে সজীবতা ফিরে পেয়েছে একই সঙ্গে বাতাসে জমে থাকা ধুলাবালিও ধুয়ে যাওয়ায় পরিবেশ কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়ে উঠেছে।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়,
এ সময়ের বৃষ্টি বোরো ধানের জন্য বেশ উপকারী। এতে ধানে পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম হয় এবং জমিতে সার ও কীটনাশকের ব্যবহারও কম লাগে। ফলে উৎপাদন খরচ কমে এবং ভালো ফলনের সম্ভবনা বাড়ে।
ধর্মপাশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশয়াদ বিন খলিল রাহাত বলেন,বৃষ্টির কারণে সাময়িকভাবে সেচের জন্য গভীর নলকূপের ব্যবহারও কমবে।
এতে বিদ্যুৎ ও ডিজেলড়দুই ধরনের জ্বালানিই কিছুটা সাশ্রয় হবে। হঠাৎ পাওয়া এই বৃষ্টিতে উপজেলার কৃষকদের মুখে এখন স্বস্তির হাসি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে বোরো ধানের ভালো ফলন হবে বলে আশা করছেন তিনি।
এইচএসডিএফ ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা, সম্পাদক : দেলোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এস এম ইমন, আইন উপদেষ্টা : অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবু হানিফ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
মোবাইল নাম্বার -০১৬১০৫১৭৭০৩, Mail-ajkerkagojbd22@gmail.com
ঠিকানা: বাড়ি ১৮, রোড ০১, সেকশন ০৮, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
Copyright © 2026 আজকের কাগজ. All rights reserved.