কিডনি প্রতিস্থাপন করতে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ছোট বোন ও ভগ্নিপতি সঙ্গে গিয়েছেন নুরুল আমিন সোহাগ। উঠেছিলেন দিল্লির ‘ফ্লারিশ স্টে বিএনবি’ হোটেলে।
গত বুধবার সকালে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে সেই হোটেলে। পুড়ে মারা যান অন্তত ২১ জন এবং এদের একজন ৩৮ বছরের সোহাগ। দগ্ধ হয়ে সেখানকার হাসপাতালে ভর্তি তার ছোট বোন রেহানা আক্তার মুন্নি ও ভগ্নিপতি মোশারফ হোসেন।
পরিবারটির বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের চিওড়া ইউনিয়নের সাঙ্গীশ্বর গ্রামে। আজ শুক্রবার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সোহাগের আরেক ভগ্নিপতি কবির আহমেদ বাচ্চু ও তালতো ভাই হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী জানালেন, বোন ও ভগ্নিপতির চিকিৎসায় কয়েকদিন আগে তাদের সঙ্গে দিল্লি যান সোহাগ। আগুনের ঘটনায় তার মৃত্যু ও অন্য দুজনের আশঙ্কাজনক অবস্থার খবরে স্বজনরা ভেঙে পড়েছেন। দগ্ধ দুজন দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি বলে তারা জানতে পেরেছেন।
সোহাগের মরদেহ নিতে ও দগ্ধ দুজনকে দেখতে পরিবারের তিনজন গতরাতে দিল্লি গেছেন বলে জানালেন কবির ও হুমায়ুন।
বৃহস্পতিবার রাতে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজের এক পোস্টে নিশ্চিত করা হয় সোহাগের মৃত্যুর খবর। আগুনের ঘটনায় বাংলাদেশি দুইটি পরিবার বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বলেও জানানো হয়।
পোস্টের তথ্য, মালভিয়া নগরের ওই ভবনের নিচতলায় রেস্তোরা এবং ওপরের কয়েক তলায় ছিল হোটেল। বুধবার সকালে লাগা আগুনে নিহত হন ১২ বিদেশি নাগরিকসহ অন্তত ২১ জন। দগ্ধ ও আহত ২৮ জন।
সুত্রে জানা গেছে, নিহত বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সহজ করতে কাজ চলছে। পাশাপাশি আহত বাংলাদেশিদের চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ও হাসপাতালগুলোর সঙ্গে রাখা হচ্ছে নিয়মিত যোগাযোগ।
এইচএসডিএফ ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা, সম্পাদক : দেলোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এস এম ইমন, আইন উপদেষ্টা : অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবু হানিফ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
মোবাইল নাম্বার -০১৬১০৫১৭৭০৩, Mail-ajkerkagojbd22@gmail.com
ঠিকানা: বাড়ি ১৮, রোড ০১, সেকশন ০৮, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
Copyright © 2026 আজকের কাগজ. All rights reserved.