আসন্ন শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থীদের ব্যয়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর তা না মানলে বা নির্ধারিত ব্যয়সীমা ছাড়িয়ে গেলে হতে পারে জেল-জরিমানা।
বুধবার (১৮ মার্চ) ইসি কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন। এজন্য বিষয়টি প্রার্থীদের জানাতে ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন ইতোমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনাও পাঠিয়েছেন।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) অনুচ্ছেদ ৪৪ (খ)-এর দফা ৩ অনুযায়ী, কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়, তাকে মনোনয়ন প্রদানকারী রাজনৈতিক দল থেকে তার জন্য করা ব্যয়সহ ভোটার প্রতি ১০ (দশ) টাকা হারে অথবা মোট ২৫ লাখ টাকার মধ্যে যা সর্বোচ্চ, তার অধিক হবে না।
জানা গেছে, শেরপুর-৩ আসনের পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫ হাজার ৭৭ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৮ হাজার ২৯৩ জন এবং হিজড়া ভোটার ৭ জন। মোট ভোটার ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এই আসনের প্রার্থীরা ভোটার প্রতি ১০ টাকা হারে সর্বোচ্চ ৪১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭০ টাকা ব্যয় করতে পারবেন।
বগুড়া-৬ আসনের ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২২ হাজার ৭৯৬ জন, নারী ২ লাখ ৩১ হাজার ২৩৭ জন এবং হিজড়া ভোটার ১০ জন। ভোটার প্রতি ১০ টাকা হিসেবে এই আসনে প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ ৪০ হাজার ৪৩০ টাকা ব্যয় করতে পারবেন।
প্রার্থীকে নির্বাচনী ব্যয় নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে।
এজন্য যে কোনো তফসিলি ব্যাংকে নতুন একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, আইনে নির্ধারিত ব্যয়সীমার ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে জেল-জরিমানা করা হতে পারে। আরপিওর ৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ব্যয়সীমার বিধান না মানলে বা প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে তা বেআইনি কাজ হিসেবে গণ্য হবে। এজন্য ন্যূনতম দুই বছর থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।
শেরপুর-৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন-বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের একজন বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ভোট স্থগিত করে ইসি। পরবর্তীতে নতুন তফসিল দিয়ে নির্বাচন করছে সংস্থাটি।
অন্যদিকে, বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন-বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার।
এই আসনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচন করে জয়ী হন। কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দুটি আসনের সদস্য থাকার আইন না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। পরবর্তী সময়ে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন করে তফসিল দেয় কমিশন।
আগামী ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ওই দুই আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এইচএসডিএফ ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা, সম্পাদক : দেলোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এস এম ইমন, আইন উপদেষ্টা : অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবু হানিফ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।
মোবাইল নাম্বার -০১৬১০৫১৭৭০৩, Mail-ajkerkagojbd22@gmail.com
ঠিকানা: বাড়ি ১৮, রোড ০১, সেকশন ০৮, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
Copyright © 2026 আজকের কাগজ. All rights reserved.