1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
খামেনির শেষকৃত্য: ইরানে একটি যুগের সমাপ্তি - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে : প্রধানমন্ত্রী ডিএনসিসির সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ভিসার মেয়াদ সীমিত করছে ট্রাম্প প্রশাসন খেলাপির জামিনদার হলেও প্রার্থিতা বাতিল করবে ইসি শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই, দেশে ফিরলেই গ্রেপ্তার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ম্যারাডোনাকে জয় উৎস্বর্গ করে মেসি বললেন ‘ফাইনাল হবে সমানে সমান’ কুড়িগ্রামে নিজ ঘরে আগুন দিয়ে অস্ত্র হাতে যুবকের তাণ্ডব বেরোবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬ পালিত ববি হলে শিবিরকর্মীর ওপর মব সৃষ্টি, ছাত্রদল সভাপতিসহ ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ খেলাপি ঋণ কমাতে বিশেষ ‘এক্সিট পলিসি’ চালু

খামেনির শেষকৃত্য: ইরানে একটি যুগের সমাপ্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬ ৮:৪১ পিএম
শেয়ার করুন

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। শনিবার তেহরানে তার শেষকৃত্য শুরুর মধ্য দিয়ে দেশটিতে দীর্ঘ একটি যুগের সমাপ্তি হতে যাচ্ছে। ৮৬ বছর বয়সী এই নেতার বিদায়ে তেহরানের রাস্তায় এখন লাখো মানুষের ঢল।

তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় তার শোক ও জানাজা শুরু হয়েছে। পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিনের ওপর রাখা আছে তার কালো পাগড়ি। পাশেই রাখা হয়েছে হামলায় নিহত তার ১৪ মাস বয়সী নাতনিসহ পরিবারের অন্যদের ছোট-বড় কফিন। শোকাহত মানুষ প্রতিশোধের লাল ব্যানার হাতে ‘যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংস হোক’ এবং ‘প্রতিশোধ’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন।

প্রিয় নেতাকে বিদায় জানাতে এসে স্পিকার গালিবাফসহ অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। এক যুবক আক্ষেপ করে বলেন, ‘এই ট্র্যাজেডি দেখার আগে আমার মৃত্যু হলে ভালো হতো!’ ধারণা করা হচ্ছে, আগামী তিন দিনে তেহরানে প্রায় দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ জড়ো হবেন।

দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা খামেনির মৃত্যুতে ইরানে মূলত একটি যুগের অবসান হলো। ১৯৮৯ সালে তিনি ক্ষমতায় আসেন। তার সময়ে সেনাবাহিনী, বিচারবিভাগ ও গণমাধ্যম তার হাতেই ছিল। তার শাসনামলে আইআরজিসি ব্যাপক শক্তিশালী হয়ে ওঠে। আমেরিকা ও ইসরায়েলকে ঠেকাতে তিনি মিসাইল কর্মসূচি বাড়ান। পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর কথা অস্বীকার করলেও তিনি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার পক্ষে ছিলেন।

তবে তার মৃত্যু রাষ্ট্রকে দুর্বল করতে পারেনি; বরং ইরানিদের এক করেছে। গবেষক আলী আকবর দারেইনির মতে, খামেনি এমন এক শক্ত ব্যবস্থা তৈরি করেছেন যা কোনো ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে না। এটাই তার সবচেয়ে বড় অর্জন।

ছয় দিনের এই বিদায় অনুষ্ঠান ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে চলবে। আগামী শুক্রবার খামেনির জন্মশহর মাশহাদে তার দাফন সম্পন্ন হবে।

এই বিভাগের আরো খবর