1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ঝিনাইগাতী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয় সামান্য বৃষ্টিতেই জমে থাকে পানি - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০১:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সংসদে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্লান’ নিয়ে প্রশ্ন, ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ সতীর্থদের নিয়ে খুবই গর্বিত—লিওনেল মেসি ওবামার বিরুদ্ধে ইরানকে ‘ঘুষ’ দেওয়ার অভিযোগ ট্রাম্পের মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন শিক্ষামন্ত্রী নওগাঁয় কলেজ শিক্ষক খুন কালিয়াকৈরে দুর্ভোগ কাটেনি পানিবন্দি শত শত পরিবার, বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকট, যোগােযাগ ব্যবস্থা ব্যাহত ফোনে ‘তোমাকে আমার ভালো লাগে’ বলার পর থেকে চার দিন ধরে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী ঝিনাইগাতী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয় সামান্য বৃষ্টিতেই জমে থাকে পানি

ঝিনাইগাতী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয় সামান্য বৃষ্টিতেই জমে থাকে পানি

শেরপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬ ৯:১৬ পিএম
শেয়ার করুন

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ঝিনাইগাতী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয়’ মাঠের পানিনিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা নেই। এ কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। বিদ্যালয়ের মাঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত খেলাধুলা করতে পারে না। সামান্য বৃষ্টি হলেই মাঠসহ আশপাশের এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে এক ভবন থেকে অন্য ভবনে আসা-যাওয়া করা যায় না।
এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মচারী সবাইকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয় খেলাধুলা থেকে। ব্যাহত হচ্ছে সৃজনশীল কাজ ও প্রতিদিনের সমাবেশ (অ্যাসেম্বলি)। এই সমস্যা সমাধানে মাঠটিতে মাটি ভরাট করে উঁচু করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

এলাকাবাসী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি ২০১৮ সালে সরকারিকরণ করা হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী ৫৪০ জন এবং শিক্ষক-কর্মচারী ২৩ জন। বিদ্যালয়ের পাশে বাজারের প্রধান সড়কের চেয়ে প্রায় দুই ফুট নিচে বিদ্যালয়ের মাঠ। এ ছাড়া বিদ্যালয়ের তিন পাশে নতুন করে বাড়িঘর নির্মাণ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। এতে শুষ্ক মৌসুমে বিদ্যালয়ের মাঠ শুকনা থাকলেও বর্ষা মৌসুমে শুরু হয় দুর্ভোগ। সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা।

এতে শিক্ষার্থীরা কাঁধে বইয়ের ব্যাগ, এক হাতে জুতা নিয়ে অন্য হাতে পরনের কাপড় ধরে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে। আবার অনেক সময় শিক্ষক ও কর্মচারীরাও ভোগান্তিতে পড়েন।

বুধবার সকাল ১১টায় বিদ্যালয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয় মাঠে জমে থাকা পানিতে চার-পাঁচ শিশু খেলা করছে। বিদ্যালয়ে আসা শিক্ষার্থী এক হাতে জুতা ও কাঁধে ব্যাগ নিয়ে ফিরে যাচ্ছে বাড়িতে।

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী বায়েজিদ জানায়, সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের মাঠে হাঁটুপানি জমে। এতে স্কুলের পোশাকের সঙ্গে জুতা পরে আসা গেলেও তা পরে চলাচল করা যায় না। স্যান্ডেল পরে এলেও হাতে নিয়ে প্রায় ১০০ ফুট হাঁটতে হয়।

সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) হারুন অর রশিদ বলেন, বৃষ্টি হলেই বিদ্যালয়ের মাঠে পানি জমে। এই জলাবদ্ধতা কোনো কোনো সময় তিন দিন থাকে। এসব দিনে অ্যাসেম্বলি করানো যায় না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রেজ্জাক বলেন, আমি গত বছর ডিসেম্বরে এ বিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। শুনেছি অনেক বছর ধরে বিদ্যালয় মাঠটির এই অবস্থা। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও মাঠে মাটি ভরাট করলে সমস্যার সমাধান হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটসহ জলাবদ্ধতা দূরীকরণের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবগত করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল আমীন বলেন, বিদ্যালয়ে জলাবদ্ধতাসহ মাঠ ভরাটের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে শিগগির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরো খবর