
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নে যাতায়াতের পথ নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলা, ভাঙচুর ও নারী লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী খোরশেদ আলম (৫২) বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
আসামীঃ ১। মোঃ তারেক (২৪) ২। মোঃ রিয়াজ (১৭), উভয় পিতা- হাছান আহাম্মদ ৩। কুসুম বেগম (৪৯), স্বামী- হাছান আহাম্মদ ৪। মেজবাহ উদ্দিন রতন (৭০), পিতা- মৃত কুদ্দুছ মিয়া ৫। রুবেল (৩৫), পিতা- মেজবাহ উদ্দিন রতন ৬। ভুলু বেগম (৫৫), স্বামী- মেজবাহ উদ্দিন রতন ৭। শেফালী বেগম (৪৫), স্বামী- রফিক মাঝি, সর্ব সাং-ভবানীগঞ্জ, ১নং ওয়ার্ড, ১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউপি, থানা ও জেলা- লক্ষ্মীপুর সহ অজ্ঞাতনামা ২০/৩০ জন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, খোরশেদ আলম ও অভিযুক্তরা ভিন্ন মালিকের কাছ থেকে পাশাপাশি জমি কিনে বসতঘর নির্মাণ করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে যাতায়াতের পথ নিয়ে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, এরই জেরে অভিযুক্তরা পূর্বে ওই পথ বন্ধ করে দেয় এবং এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ঘটনার দিন খোরশেদ আলম পরিবারসহ ঢাকা থেকে বাড়িতে গেলে পথ বন্ধের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা দা, লাঠি, লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধভাবে হামলা চালায়। এতে বসতঘরের টিনের বেড়া কেটে ও ভাঙচুর করে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
এসময় বাধা দিতে গেলে খোরশেদ আলমসহ তার তিন ছেলে গুরুতর আহত হন। এছাড়া তার স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগও করা হয়েছে। আহতদের লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা প্রকাশ্যে মামলা করলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। স্থানীয়দের মাধ্যমে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply