1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমার দ্বারপ্রান্তে, রাতে খুলছে ১৬ জলকপাট - আজকের কাগজ
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
৮ শ্রেণির মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি নেওয়া ব্যক্তিদের তথ্য চেয়েছে সরকার কটিয়াদীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন নিহত ও চারজন আহত ৭ হাজার টাকা কমেছে, যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ দিল্লিতে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টদের সেমিনারের চেষ্টা, মিলল না অনুমতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর অভিনয়ে আর ফিরবেন না পপি ছিনতাইয়ের কবলে শিক্ষিকা নিহত : গ্রেপ্তার দুই আসামিকে নিয়ে যা জানাল র‍্যাব মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুদামের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সরকার কাজ করছে: খাদ্যমন্ত্রী

কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমার দ্বারপ্রান্তে, রাতে খুলছে ১৬ জলকপাট

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ ৬:২৬ পিএম
শেয়ার করুন

কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছায় উজান ও ভাটি অঞ্চলে বন্যা নিয়ন্ত্রণে পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষে শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ১০টা থেকে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হবে।

‎কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ২টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল) রেকর্ড করা হয়। হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। পানির উচ্চতা বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পানি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হ্রদের পানির সমতল বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছায় উজান ও ভাটি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে স্পিলওয়ের ১৬টি গেট খুলে পানি নিষ্কাশন করা হবে।

প্রাথমিকভাবে ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হবে। এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে। এসব ইউনিটের মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে আরও প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে।

‎ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, হ্রদের পানির উচ্চতা, বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পানির প্রবাহ প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বৃষ্টিপাত ও পানির প্রবাহের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্পিলওয়ে খোলার নির্ধারিত সময় এবং পানি ছাড়ার পরিমাণ পরিবর্তন বা বাড়ানো হতে পারে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পানি নিষ্কাশনের পুরো প্রক্রিয়া পরিস্থিতি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

এই বিভাগের আরো খবর