1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
দেশের আকাশে উজ্জ্বল গ্রহের ঝলক, দেখা মিলবে হারভেস্ট মুনও - আজকের কাগজ
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ভেটিংয়ের অপেক্ষায় পে-স্কেলের গেজেট, হালনাগাদ হচ্ছে পেনশনের তথ্য ধামরাইয়ে অটোরিকশা-পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষ, শিশুসহ নিহত ৩ কুবিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি ছাত্রদলের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র থেকে অজ্ঞাত শিশুর মরদেহ উদ্ধার ইরানের স্কুলে মার্কিন হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল: জাতিসংঘ যত ভালো সরকারই আসুক, ড. ইউনূসের চুক্তির কারণে দেশ চালানো মহাকঠিন: হাবিবুর রহমান হাবিব হাসপাতালই ‘মরণ ফাঁদ’, আগুনে ১৪ নবজাতকের মৃত্যুতে মিললো ভয়াবহ অব্যবস্থাপনা যেভাবে কাজ করবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন অ্যাপ ‘ভূমিদৃষ্টি’ ডেঙ্গু কেড়ে নিলো আরও ৫ প্রাণ, হাসপাতালে নতুন রোগী ১৪৮৪ পুলিশের ডিআইজি পদে বড় রদবদল, বদলি পাঁচ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা

দেশের আকাশে উজ্জ্বল গ্রহের ঝলক, দেখা মিলবে হারভেস্ট মুনও

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৯:৩৩ পিএম
শেয়ার করুন

সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের রাতের আকাশে মহাকাশপ্রেমীদের জন্য থাকছে বেশ কিছু আকর্ষণীয় দৃশ্য। ১৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শনি গ্রহকে রাতের আকাশে সহজেই শনাক্ত করা যাবে। পাশাপাশি দেখা যাবে- শুক্র ও বৃহস্পতি, শরৎকালীন নক্ষত্রমণ্ডল এবং অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি।মাসের শেষ দিকে ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার আকাশে উঠবে পূর্ণিমার চাঁদ, যা হারভেস্ট মুন হিসেবেও পরিচিত।

শনিকে দেখার ভালো সময়

সেপ্টেম্বর শনি পর্যবেক্ষণের জন্য বছরের অন্যতম আকর্ষণীয় সময়। ২০২৬ সালে গ্রহটি ৪ অক্টোবরের দিকে অপর দিকে পৌঁছাবে। ফলে সেপ্টেম্বরের শেষভাগে সূর্যাস্তের পর থেকে শনি ক্রমেই পর্যবেক্ষণের জন্য অনুকূল অবস্থানে থাকবে এবং রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশে আরও উঁচুতে উঠবে।

খালি চোখে শনি একটি উজ্জ্বল বিন্দু হিসেবে দেখা যাবে। তবে সাধারণ বাইনোকুলার বা ছোট টেলিস্কোপ ব্যবহার করলে এর বলয় এবং সবচেয়ে বড় উপগ্রহ টাইটান দেখার সুযোগ তৈরি হবে। অ্যাস্ট্রোনমি ডটকমের সেপ্টেম্বরের পর্যবেক্ষণ নির্দেশিকাতেও শনির সঙ্গে টাইটানসহ কয়েকটি উপগ্রহ টেলিস্কোপে দেখার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

হারভেস্ট মুন ও সেপ্টেম্বরের পূর্ণিমা

এই পাক্ষিকের অন্যতম আকর্ষণ পূর্ণিমার চাঁদ। ঢাকার হিসাবে ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ১০টা ৪৯ মিনিটে পূর্ণিমা হবে।

শরৎ বিষুবের কাছাকাছি সময়ের পূর্ণিমাকে হারভেস্ট মুন বলা হয়। দিগন্তের কাছে চাঁদ উঠলে বায়ুমণ্ডলীয় প্রভাবের কারণে সেটিকে অনেক সময় হালকা কমলা বা সোনালি আভায় দেখা যায়। ফলে শহরের আলোকদূষণ থেকে দূরে, খোলা আকাশের নিচে এ সময়ের পূর্ণিমা পর্যবেক্ষণ হতে পারে রাতের আকাশের অন্যতম আকর্ষণ।

যদিও ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আংশিক চন্দ্রগ্রহণ হবে- এই তথ্যটি সঠিক নয়। ২০২৬ সালের আংশিক চন্দ্রগ্রহণ হয়েছিল ২৭-২৮ আগস্ট এবং সেটি বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান ছিল না।

চন্দ্রকলা ও শরৎ বিষুব

সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেও চাঁদের অবস্থান রাতের আকাশ পর্যবেক্ষণে বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করবে। ঢাকার হিসাবে ১৯ সেপ্টেম্বর প্রথম চতুর্থাংশের পর্যায়ে যাবে চাঁদ।

এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর শরৎ বিষুব। এদিন সূর্য বিষুবরেখা অতিক্রম করে এবং পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে দিন-রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়। এরপর উত্তর গোলার্ধে ধীরে ধীরে রাতের দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকে।

সন্ধ্যার আকাশে শুক্র, গভীর রাতে বৃহস্পতি

সূর্যাস্তের পর পশ্চিম আকাশে উজ্জ্বল শুক্র গ্রহও নজর কাড়বে। সন্ধ্যার গোধূলি মিলিয়ে যাওয়ার সময় এটি সন্ধ্যাতারা হিসেবে সহজেই চোখে পড়তে পারে।

অন্যদিকে বৃহস্পতি প্রধানত গভীর রাত ও ভোরের আকাশে দৃশ্যমান হবে। সেপ্টেম্বরের শেষভাগে রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পূর্ব আকাশে বৃহস্পতিকে খুঁজে পাওয়া যাবে।

শরৎকালীন নক্ষত্রমণ্ডল ও অ্যান্ড্রোমিডা

সন্ধ্যার পর পূর্ব আকাশে শরৎকালীন বিভিন্ন নক্ষত্রমণ্ডল পর্যবেক্ষণের সুযোগ থাকবে। এর মধ্যে ডানাওয়ালা ঘোড়ার আকৃতির পেগাসাস বিশেষভাবে নজরকাড়া।

পেগাসাসের কাছাকাছি রয়েছে অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি। অপেক্ষাকৃত অন্ধকার জায়গা থেকে খালি চোখে এর আবছা উপস্থিতি বোঝা সম্ভব হলেও বাইনোকুলার বা টেলিস্কোপ ব্যবহার করলে সেটিকে শনাক্ত করা অনেক সহজ হয়।

সেপ্টেম্বর অ্যান্ড্রোমিডা পর্যবেক্ষণের জন্যও ভালো সময়। রাত যত গভীর হবে, উত্তর-পূর্ব ও পূর্ব আকাশে শরৎকালীন নক্ষত্রমণ্ডলগুলো তত স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হবে।

কোথা থেকে দেখবেন?

শহরের অতিরিক্ত আলো থেকে দূরে, খোলা জায়গা এবং দিগন্ত পরিষ্কার এমন স্থান রাতের আকাশ পর্যবেক্ষণের জন্য বেশি উপযোগী। বিশেষ করে অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সির মতো তুলনামূলক ক্ষীণ বস্তু দেখতে আলোকদূষণ কম এমন জায়গা বেছে নেওয়া ভালো।

চাঁদের আলোও গভীর আকাশের ক্ষীণ বস্তু পর্যবেক্ষণে প্রভাব ফেলে। তাই অ্যান্ড্রোমিডা বা অন্যান্য গভীর-আকাশের বস্তু দেখার ক্ষেত্রে চাঁদের আলো কম থাকা সময়কে অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে।

সূত্র: স্কাইম্যাপ, টাইম অ্যান্ড ডেট, স্কাই অ্যান্ড টেলিস্কোপ, অ্যাস্ট্রোনমি ডটকম

এই বিভাগের আরো খবর