1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
আ.লীগের সঙ্গে মীমাংসার প্রশ্নে যা বললেন উপদেষ্টা জাহেদ - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী রামপাল সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রসহ একনেকে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন নাগরিকদের গোপন তথ্য কেনাবেচার অভিযোগে ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার নওগাঁয় বয়লার বিস্ফোরণ এক শ্রমিক নিহত,আহত-৪ ‘ফাইনালে অস্বাভাবিক ঘটনা…’, বিদায়বেলায় ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ নিয়ে মুখ খুললেন মেসি অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী পুলিশ টেনে-হিঁচড়ে সরানোর পর আবারও ধর্মঘটে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা চট্টগ্রাম বন্দরের ছবি-ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা, প্রত্যাহারের দাবি সিইউজে’র পরকীয়া অভিযোগে ৫০ হাজার টাকায় করা হয়েছিল খুনের চুক্তি : পিবিআই

আ.লীগের সঙ্গে মীমাংসার প্রশ্নে যা বললেন উপদেষ্টা জাহেদ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ৯:১৬ পিএম
শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক মীমাংসার প্রস্তাবে বিএনপি সরকারের সাড়া দেওয়া সংক্রান্ত এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান দলটির মনোভাবের কড়া সমালোচনা করেছেন। বলেছেন, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের মনোভাব যদি এরকমই থাকে, তাহলে বিএনপি সরকারের পক্ষে রেকনসিলিয়েশনের আলোচনায় সাড়া দেওয়া ‘কঠিন’।

উপদেষ্টা জাহেদুর মনে করেন- যেকোনো একটি রাজনৈতিক মীমাংসা, আওয়ামী লীগের পুনর্মিলন বা ‘রেকনসিলিয়েশনের’ উদ্যোগের জন্য যে ‘অনুতাপ’ আর সদিচ্ছা থাকা দরকার, শেখ হাসিনার বক্তব্যে তেমন কিছু নেই।

উপদেষ্টা বলেন, তিনি (শেখ হাসিনা) সমানে হুমকি দিচ্ছেন সবাইকে দেখে নেবেন, পাল্টা এই করে ফেলো ওই করে ফেলো। নানান রকম হুমকি ক্রমাগত দিয়ে গেছেন। যদি তাই হয়ে থাকে, আসলে এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে রেকনসিলিয়েশনের আলাপটা আমাদের দিক থেকে অন্তত এন্টারটেইন করা কঠিন।

মঙ্গলবার তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষ সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ বিষয়ে কথা বলেন উপদেষ্টা।

চব্বিশের অভ্যুত্থান ঠেকাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর বিগত অন্তর্বর্তী সরকার যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল, বর্তমান বিএনপি সরকারও তা বহাল রেখেছে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক জানতে চান, আওয়ামী লীগের সঙ্গে ‘রেকনসিলিয়েশনের’ বিষয়ে সরকারের ভাবনাটা কী?

জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, রেকনসিলিয়েশন যে দরকার ছিল, সে বিষয়ে তিনি দ্বিমত করেন না। আর ৫ অগাস্টের পর এ বিষয়ে নানা আলোচনা হয়েছে।

‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই দেশের একটা সংখ্যার মানুষ, আমি আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী যারা পালিয়ে গেছে, আমি তাদের কথা বলছি না, যারা এই দেশে আছেন, এদের মধ্যেও একটা পার্সেন্টেজের মানুষ এখনো আওয়ামী লীগ সমর্থন করে। সুতরাং এই মানুষগুলোকে বা যারা আওয়ামী লীগ অ্যাক্টিভলি করেছেন তাদের সঙ্গে একটা রেকনসিলিয়েশন খারাপ আইডিয়া না, ভালো আইডিয়া।’

‘এটা হলে ভালো হতো। কিন্তু প্রশ্নটা আমরা সবসময় যেটা করেছি, রেকনসিলিয়েশনের আদি শর্তটা কী? কোন ভিত্তির উপরে দাঁড়িয়ে রেকনসিলিয়েশন হয়? ফান্ডামেন্টালটা কী?’

এ প্রসঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রুথ অ্যান্ড রেকনসিলিয়েশন কমিশনের কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা।রিকনসিলিয়েশনের বেসিকটা হচ্ছে যে গ্রুপ, গোষ্ঠী, রাজনৈতিক দল, যেই হোক না কেন, সে যে অপরাধটা করেছে সে অপরাধের স্বীকৃতি থাকা, সেটা নিয়ে তাদের রিপেনটেন্স থাকা। অপরাধের স্বীকৃতি এবং রিপেনটেন্সের পরও রেকনসিলিয়েশনের প্রশ্ন আছে, কারণ অপরাধের স্বীকৃতি দিলেই আসলে ফৌজদারি অপরাধ তামাদি হয় না, ওইটার বিরুদ্ধে লিগ্যাল একশন হতে হয়। সুতরাং আমরা ওই আলাপ করছিলাম যদি ওই পরিস্থিতি হত, তাহলে আসলে রিকনসিলিয়েশনের আলাপ হতে পারত। সেটার জন্য কারা কারা করবেন কীভাবে করবেন সেটা হতে পারত।

কিন্তু সেই বাস্তবতা দেখেননি জানিয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, আমরা খুব অবাক হয়ে ৫ তারিখের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেখছি সেই দলটা, সেই দলটার প্রধান নেত্রী, তিনি এখনো ব্লেম করছেন আমাদেরকে, আমাদেরকে হুমকি দিচ্ছেন।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের মনোভাব যদি এরকমই হয়, তাহলে বিএনপি সরকারের পক্ষে রিকনসিলিয়েশনের আলোচনায় সাড়া দেওয়া ‘কঠিন’ বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, তারা চাইছেন না, রেকনসিলিয়েশন তো তাদের চাইতে হবে। আমরা মাঝখান থেকে কেউ যদি চাই, কেউ যদি মাঝখান থেকে রেকনসিলিয়েশন চেয়ে থাকেন, তাদের যদি মনে হয় এটা ভালো, আমিও মনে করি ভালো, তাদের উচিত বরং আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা, আওয়ামী লীগের সঙ্গে কথা বলা, আওয়ামী লীগের টপের সাথে কথা বলে রেকনসিলিয়েশন শুরু হওয়ার মত একদম ফান্ডামেন্টাল যে জায়গাটা, সেটা যেন তারা নিশ্চিত করেন। সেটুকু হলে সেই আলাপ তো হতেই পারে।

এই বিভাগের আরো খবর