1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
‘ছাদ থেকে পড়ে’ শারমিন গ্রুপের কর্মকর্তার মৃত্যু, পরিবারের দাবি ‘অপমানের পর হত্যা’ - আজকের কাগজ
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে উত্তাল আলবেনিয়া, পদত্যাগে নারাজ প্রধানমন্ত্রী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত সাজেক আসামি ‘ছিনিয়ে নিতে’ ফাঁড়িতে হামলা, দুই পুলিশ সদস্য আহত সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৪৩ যুব উন্নয়ন পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫ বিদ্যুৎ খাতে অর্থায়ন বাড়াতে চীনা ব্যাংকের প্রতি আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ককরোচ পার্টির পক্ষে রায় দিল্লি হাইকোর্টের সংসদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, দিলেন যেসব নির্দেশনা কর্ণফুলি শিকলবাহা খাল থেকে নারীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বামীসহ গ্রেপ্তার ২

‘ছাদ থেকে পড়ে’ শারমিন গ্রুপের কর্মকর্তার মৃত্যু, পরিবারের দাবি ‘অপমানের পর হত্যা’

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ৮:৫৭ পিএম
শেয়ার করুন

আশুলিয়ার নরসিংহপুরে একটি তৈরি পোশাক কারখানার বহুতল ভবনের ছাদ থেকে পড়ে মো. জামাল উদ্দিন (৩৯) নামের এক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে নরসিংহপুর এলাকার শারমিন গ্রুপের একটি কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের পক্ষ থেকে এটিকে ‘আত্মহত্যা’ হিসেবে জানানো হলেও নিহতের পরিবার ও সহকর্মীদের দাবি, তাকে হত্যা করা হয়েছে।

জামাল উদ্দিন গাজীপুর সদর থানার বুরুলিয়া ডুয়েট এলাকার মৃত মো. সেকেন্দার আলীর ছেলে। তিনি শারমিন গ্রুপের ডিভিশন-৩-এর সিনিয়র মার্চেন্ডাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

জামাল উদ্দিনের পরিবারের দাবি, অফিসিয়াল বা অন্য কোনো আক্রোশের জেরে তাকে হত্যা করে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে নাটক সাজানো হয়েছে।

তাই তাদের দেখতে না দিয়ে লাশ মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছে পুলিশ। এ বিষয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
নিহতের ভাই ফখরুল হাসান গণমাধ্যমকে জানান, সকালে অফিসে আসার পর সাড়ে নয়টার দিকে জানানো হয় তিনি ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে মারা গেছেন। কিন্তু পরিবারের দাবি, যার ছোট সন্তান রয়েছে এবং যিনি প্রতিষ্ঠিত কর্মকর্তা তিনি কখনো আত্মহত্যা করতে পারেন না।

এটাকে সম্পূর্ণ পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি করে হাসান বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ ও ভেতরের লোকজন ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

নিহতের স্ত্রী নাহারের দাবি, মঙ্গলবার রাত সাড়ে এগারটায় মুঠোফোনের মাধ্যমে কারখানা থেকে তাকে অপমান করা হয়েছে বলে জানান জামাল। সকালেও কথা বলেছে, তখনও বলেছে মালিক খারাপ, যে কোনো কিছু করতে পারে। পরে তাকে অফিসে যেতে নিষেধ করা হলেও অফিস থেকে উল্টো ফাঁসিয়ে দিতে পারে বলে জানান তিনি। কিন্তু অফিসে যাওয়ার পর সে আর ফোন রিসিভ করেনি।

তবে দুই ঘণ্টা পর একজন ফোন রিসিভ করে বলে জামাল অসুস্থ, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে জানানো হয় যে, সে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু সে কখনও আত্মহত্যা করতে পারে না।
প্রাথমিক সুরতহাল করা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফাহিম জানান, নিহতের হাত ও পা ভেঙে যেতে পারে ও ছাদ থেকে লাফ দেওয়ায় নাক-মুখ দিয়ে রক্ত এসেছে।

শারমিন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইসমাইল হোসেন বলেন, নিহত জামাল উদ্দিন সকালে নির্ধারিত সময়ের আগেই অফিসে আসে। আমরা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেছি। সেগুলো সাংবাদিক ও পুলিশকে সরবরাহ করা হয়েছে। ফুটেজে দেখা গেছে, সে নিজেই ছাদে যায় এবং দুই মিনিটের মতো ফোনে কথা বলে। এরপর সে ছাদের সেফটি দেয়ালের উপর ১৫ মিনিট বসে থাকার পর লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে এবং ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে নিশ্চিত করতে পারবে তাকে কোন মারধর করা হয়েছে কিনা।

আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

এই বিভাগের আরো খবর