1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
রাজধানীতে রাতের ঢাকায় ছিনতাইকারীরা ভয়ংকর - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমরাই যেচে সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম: টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সংসদে স্পিকার এবার লোহিত সাগরে সামরিক অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের ইরানকে অস্ত্র না দিতে শি জিনপিংকে চিঠি পাঠালেন ট্রাম্প হঠাৎ কমলো স্বর্ণের দাম বার কাউন্সিলে নির্বাচন করতে হাইকোর্টে রিট ব্যারিস্টার সুমনের দুই মাসে ‘ট্র্যাপে ফেলে’ মিরপুরে ১৩ ধর্ষণ, অভিযুক্ত রাব্বি গ্রেপ্তার নাগরিকদের ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ইস্টার্ন রিফাইনারি ‘লো-ফিডে’ চালু, সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়বে না: জ্বালানি মন্ত্রণালয়

রাজধানীতে রাতের ঢাকায় ছিনতাইকারীরা ভয়ংকর

এস এম রাসেল
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ ৩:০২ পিএম
শেয়ার করুন

রাজধানীর রাতের ঢাকা দিন দিন অনিরাপদ ও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। একের পর এক ফিল্মইষ্টাইলে ঘটেই চলেছে ছিনতাই বা ডাকাতির ঘটনা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক থাকার পরেও রাতের বেলা ছিনতাই কিংবা ডাকাত চক্রের খপ্পরে পরে সর্বস্ব হারাচ্ছেন অনেকেই। আবার অনেকের ঘটছে প্রাণহানিও।

গত এক মাসে শুধু রাজধানীতেই ঘটেছে অন্তত ১০টি ডাকাতির ঘটনা। প্রাইভেট কার কিংবা বাস ভাড়া করে ডাকাতরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ঢাকার বিভিন্ন সড়ক। এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ অপরাধ বিশেষজ্ঞদের। পুলিশের তথ্য মতে, হটস্পটের তালিকায় রয়েছে শাহবাগ, রমনা, মতিঝিল, বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, ভাটারা, শেরেবাংলা নগর, কলাবাগান, রামপুরা, হাজারীবাগ, মোহাম্মদপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, উত্তরা পশ্চিম ও পল্লবী। এর মধ্যে পান্থপথ, টিএসসি, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল ও তেজগাঁও রেলওয়ে-স্টেশন, পুরান ঢাকার কয়েকটি এলাকাসহ মোহাম্মদপুর, মিরপুর, ভাসানটেক, দারুসালাম, বেরিবাধঁ, কালশি মোড় ও উত্তরা ছিনতাইয়ের অন্যতম হটস্পট। এসব অংশে ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য সবচেয়ে বেশি। আরও বেশিও হওয়ার আশঙ্কা তাদের।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীতে ২৮৯টি মামলায় ৭৫৮ ‘ছিনতাইকারীকে’ গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ১১৫ জনই জামিনে বেরিয়ে গেছেন। অনেক ক্ষেত্রে জামিন পেয়েছে যাচ্ছেন অল্প দিনের মধ্যে এ কারনে অপরাধ প্রবনতা বাড়ছে। অপরাধ বিশ্লেষকেরা বলছেন, ডাকাতি ও দস্যুতার মামলা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রকৃত চিত্র সব সময় বোঝা যায় না। পুলিশ যে ঘটনাগুলোতে তাদের কাছে অভিযোগ যায় কিংবা মামলা হয়, সেগুলোই নথিবদ্ধ করে। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী পুলিশের কাছে যান না ঝামেলার ভয়ে। থানাগুলো কখনো কখনো চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা না নিয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র বা টাকা হারানোর সাধারণ ডায়েরি (জিডি) নেয়। অবশ্য পুলিশ বলছে, তাঁরা এখন আর মামলা নিতে অনীহা দেখায় না। এ কারণে মামলার সংখ্যা দিন দিন বেশি হচ্ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে সরেজমিনে দেখা গেছে, বেশির ভাগ এলাকাতেই পুলিশের টহল ও চেকপোস্টে গা-ছাড়া ভাব নিয়ে দায়িত্ব পালন করেন পুলিশ সদস্যরা। টহল গাড়িতে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরা এক জায়গায় ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন। চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা দূরে বসে থাকেন। কখনও কখনও তারা রিকশাযাত্রীদের তল্লাশি করতে দেখা গেলেও, ছিনতাইকারীদের মোটরসাইকেল বা প্রাইভেট কারকে তল্লাশি করা হয় না।অবশ্য ডিএমপির দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলছেন, রাজধানীতে রাতের বেলায় যত যানবাহন চলাচল করে, তার সব কটি তল্লাশি করা সম্ভব হয় না। এ ছাড়া ছিনতাইকারীরাও টহল গাড়ি বা চেকপোস্ট আছে, এমন জায়গাগুলো এড়িয়ে চলে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিভিন্ন কারণে বাড়ছে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি হচ্ছে। গবেষণা বলছে, মূল কারণ হচ্ছে তিনটি। এ বিষয়ে সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষকরা বলেন, এদের মধ্যে অনেকেই মাদকাসক্ত। একটি শ্রেণি রয়েছে, যাদের কোনো কর্ম নেই। এ ছাড়া অপর একটি শ্রেণি রয়েছে তারা কাজ করতেও ইচ্ছুক নয়; বরং এসব করেই চলতে চায়। কেননা, অল্প কাজ করেই অনেক বেশি টাকা পাচ্ছে তারা। রাতের ঢাকায় ছিনতাই কিংবা ডাকাতির মতো অপরাধ রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদারের পাশাপাশি আরও বেশি সতর্কতার বিকল্প নেই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

সর্বশেষ গত রোববার রাতে রাজধানীর বনশ্রীতে বাসায় ফেরার সময় এক সোনা ব্যবসায়ীকে গুলি ও কুপিয়ে জখম করে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে একাধীক ছিনতাইয়ের ঘটনার ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে আতঙ্ক তৈরি হয় সাধারণ জনমনে।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *