1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
দুই শিশুর মুক্তি মিলল, শূন্যরেখায় এখনো ৫ প্রাণ - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মাহবুবউল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড: জুলাইয়ে হত্যাযজ্ঞ নেতানিয়াহুর টিকে থাকার লড়াই: ইসরায়েলের ঝুলন্ত নির্বাচনের জটিল সমীকরণ ব্যক্তিগত জীবন ও বিয়ে নিয়ে নতুন বিতর্কে ইলহান ওমর তুরাগ নদীতে উদ্ধার বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি উখিয়ায় রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত চারজনের শেষকৃত্য সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে ‘দিমাগি নকশাল’ নাসিরুদ্দিন শাহ ইসরায়েলি নির্বাচনে ঝুলে আছে ক্ষমতার ভাগ্য, সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কারো যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে নিজেকেই ব্রাজিলের প্রকৃত নেতা বললেন ফ্লাভিও ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর ক্ষমতার আসন টলমল, সরকার গঠনে অনিশ্চয়তা ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে সকাল আটটা থেকে

দুই শিশুর মুক্তি মিলল, শূন্যরেখায় এখনো ৫ প্রাণ

মোবাশ্বের নেছারী, কুড়িগ্রাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬ ৮:১০ পিএম
শেয়ার করুন

চার দিনের বিভীষিকা শেষে অবশেষে মুক্তি মিলেছে পাঁচ মাস বয়সী শিশু ফাইমা, তার চার বছরের বোন ফাতেমা ও তাদের বাবা-মায়ের। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর পুশইনের চেষ্টায় কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তের শূন্যরেখায় টানা ৯৬ ঘণ্টা আটকে থাকার পর একই পরিবারের চার সদস্যকে উদ্ধার করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
তবে স্বস্তির এই খবরের মাঝেও শেষ হয়নি সীমান্তের মানবিক সংকট। খোলা আকাশের নিচে, ঝড়-বৃষ্টি আর বজ্রপাতের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে এখনো শূন্যরেখায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন আরও পাঁচ বাংলাদেশি।
বৃহস্পতিবার রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কাওসার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উদ্ধার হওয়া চারজন হলেন— বেলাল হোসেন (২৮), তার স্ত্রী সুমি আক্তার (২৬), পাঁচ মাস বয়সী কন্যা ফাইমা এবং চার বছরের ফাতেমা আক্তার।
জানা গেছে, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে মানবিক দিক বিবেচনায় পরিবারটির চার সদস্যকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে বিজিবি তাদের উদ্ধার করে রৌমারী থানায় হস্তান্তর করে।
এর আগে গত রোববার ভোরে ভারতের আসাম সীমান্তঘেঁষা ঝালোরচর ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা ছয় বাংলাদেশিকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। বিজিবির বাধার মুখে তারা শূন্যরেখায় আটকে পড়েন। একই রাতে আরও তিন যুবককে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হলে তারাও সেখানে অবস্থান নিতে বাধ্য হন। ফলে মোট নয়জন বাংলাদেশি সীমান্তের মাঝখানে অনিশ্চয়তার জীবন শুরু করেন।
শূন্যরেখায় আটকে থাকা দুই শিশুর অসুস্থতা, খাদ্য ও চিকিৎসাসংকটের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে বিজিবি ও বিএসএফের যৌথ মেডিকেল টিম সেখানে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। অবশেষে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে শিশুসহ পরিবারটির চার সদস্যের মুক্তি নিশ্চিত হয়।
রৌমারী থানার ওসি কাওসার আলী জানান, উদ্ধার হওয়া চারজনের পরিচয় যাচাই ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে সীমান্তে আটকে থাকা বাকি পাঁচ বাংলাদেশির ভাগ্যে কী অপেক্ষা করছে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। দ্রুত তাদেরও ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন সীমান্তবাসী।

এই বিভাগের আরো খবর