1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
কিংবদন্তী কন্ঠশিল্পী সুবীর নন্দীর প্রয়াণ দিবস - আজকের কাগজ
রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কর্ণফুলীর মইজ্জারটেক এলাকায় নকল সাবান উৎপাদনের একটি কারখানায় র‍্যাব’র অভিযান হিলিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ ঝিনাইগাতী ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রুবেল কুবিতে পালিত হলো শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস মুন্সীগঞ্জে প্রবাসীর বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ৫০ লাখ টাকা ডাকাতি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ এলাকায় বিএনপি ও এলডিপির মধ্যে সংঘর্ষে আহত ৫ কুড়িগ্রামে ডাকাতির সময় নৈশপ্রহরীকে পিটিয়ে হত্যা নওগাঁয় খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

কিংবদন্তী কন্ঠশিল্পী সুবীর নন্দীর প্রয়াণ দিবস

উজ্জ্বল কুমার সরকার
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৮ মে, ২০২৪
শেয়ার করুন

কিংবদন্তী শিল্পী সুবীর নন্দীর প্রয়াণ দিবসে তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
প্রায় চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি মুগ্ধ করে রেখেছিলেন বাংলা গানের শ্রোতাদের। তার কণ্ঠ ছুঁয়ে নেমেছে অসংখ্য কালজয়ী শ্রোতাপ্রিয় গান। তিনি দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী।
বাংলা গানের কিংবদন্তি সুবীর নন্দী ১৯৫৩ সালের ১৯ নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানায় নন্দীপাড়া নামক গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। জন্মেই দেখেছেন পরিবারে নিয়মিতই সংগীত চর্চা চলে। তার পিতা সুধাংশু নন্দী ছিলেন তেলিয়াপাড়া চা এস্টেটের চিকিৎসক ও সংগীতপ্রেমী মানুষ। তার মা পুতুল রানী চমৎকার গান করতেন। তিনিই তার সন্তানদের গানে হাতেখড়ি দিয়েছেন। আর সব ভাইবোনের মতো সুবীর নন্দীও মায়ের কাছে প্রথম সংগীতে শিক্ষা নেন।
আর একাডেমিক শিক্ষাতেও বেশ মেধাবী ছিলেন তিনি। পড়াশোনার অধিকাংশ সময়ই সুবীর নন্দীর কেটেছে হবিগঞ্জ শহরে। হবিগঞ্জ শহরে তাদের একটি বাড়ি ছিল, সেখানেই ছিলেন তিনি। পড়েছেন হবিগঞ্জ সরকারী হাইস্কুলে। তারপর হবিগঞ্জ বৃন্দাবন কলেজে। মুক্তিযুদ্ধের সময় সুবীর নন্দী সেকেন্ড ইয়ারে পড়তেন।
১৯৬৩ সালে অন্য নয় ভাইবোনের সঙ্গে ওস্তাদ বাবর আলী খানের কাছে শাস্ত্রীয় সংগীতে তালিম নিতেন। বাবার আগ্রহ, মা ও গুরুর কাছ থেকে পাওয়া দীক্ষা ও নিজের অজান্তে উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী পঙ্কজ মল্লিক, সায়গল, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, মান্না দে, জাগজিৎ সিং প্রমুখের ভক্তে পরিণত হয়ে সুবীর নন্দী কৈশোরেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শিল্পী হবেন। সেই স্বপ্ন পূরণ হলো ১৯৭০ সালে। ওই বছর সুবীর নন্দীর রেকর্ডকৃত প্রথম গান মোহাম্মদ মুজাক্কেরের কথায় এবং ওস্তাদ মীর কাসেম সুরারোপিত ‘যদি কেউ ধূপ জ্বেলে দেয়’ প্রকাশ পায়। এরপর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি গান করেছেন শতাধিক চলচ্চিত্রে। গেয়েছেন বেতারেও অসংখ্য জনপ্রিয় গান। আর ২৪টির মতো একক অ্যালবামও প্রকাশ পেয়েছে তার। গান গাওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু গানের সুরও করেছেন। তার গাওয়া জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে ‘আমি বৃষ্টির কাছ থেকে কাঁদতে শিখেছি,’ ‘কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো’, ‘বন্ধু হতে চেয়ে তোমার’, ‘প্রেম বলে কিছু নেই’, ‘পাখিরে তুই দূরে থাকলে’, ‘আমার এ দুটি চোখ পাথর তো নয়’, ‘নেশার লাটিম ঝিম ধরেছে’, ‘এক যে ছিল সোনার কন্যা’, ‘আশা ছিলো মনে মনে’, ‘তুমি সুতোয় বেঁধেছ শাপলার ফুল’ অন্যতম।
সুবীর নন্দী ১৯৮৪ সালে ‘মহানায়ক’ ছবিতে, ১৯৮৬ সালে ‘শুভদা’ ছবিতে, ১৯৯৯ সালে ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ছবিতে এবং সর্বশেষ ‘মেঘের পরে মেঘ’ ছবিতে গান করে ২০০৪ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এছাড়াও দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকসহ দেশে-বিদেশে নানা সম্মানে ভূষিত হয়েছেন সুবীর নন্দী। ব্যক্তি জীবনে নন্দিত এই শিল্পী দুই সন্তানের জনক। বড় মেয়ের নাম ফাল্গুনী নন্দী এবং ছোট ছেলের নাম হৃদ্যিমান।
সুবীর নন্দী দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও হার্টের অসুখে ভুগছিলেন। ৭ মে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন এই কিংবদন্তি।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *