1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ডোবায় ভাসছিল গৃহবধূর লাশ, গলায় ওড়নায় বাঁধা কংক্রিটের ব্লক - আজকের কাগজ
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআর পরিচালককে মারধরের অভিযোগ ড্যাবের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিক্যাল পরীক্ষা ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উপড়ে পড়া গাছ অপসারণ, যান চলাচল স্বাভাবিক বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে জেটরোর প্রেসিডেন্টকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আহ্বান গ্রাহকদের: বাজারে আসার পরপরই আইফোন ডুও ফোনের পর্দায় ফাটল পাক-আফগান সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা, গোলাগুলিতে নিহত এক অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানল অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় অর্ণব জাপান ব্যাংকের গভর্নরের সাথে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম বন্ধুসভার প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ফাহিম একাদশের জয়

ডোবায় ভাসছিল গৃহবধূর লাশ, গলায় ওড়নায় বাঁধা কংক্রিটের ব্লক

মোবাশ্বের নেছারী, কুড়িগ্রাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬ ৯:৪২ পিএম
শেয়ার করুন

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে গলায় ওড়না দিয়ে কংক্রিটের ব্লক বাঁধা অবস্থায় এক গৃহবধূর মরদেহ ডোবা থেকে উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা হয়েছে।

নিহত গোলাপি খাতুন (২৬) উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাওয়াইর গ্রামের প্রবাসফেরত সৈয়দ আলীর স্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে উপজেলার পুরাতন যাদুরচর এলাকার একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকালে মরদেহের গলায় ওড়না দিয়ে একটি খণ্ডিত কংক্রিটের ব্লক বাঁধা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সৈয়দ আলীর মামাতো ভাই মতিন, হাসিনুর, মহর, আছমত ও সাহার আলীদের সঙ্গে কেনা একটি জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। স্বামী বিদেশে থাকাকালে গোলাপি খাতুন ওই বিরোধের ঘটনায় আদালতে মামলা করেন। পরে মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হয় এবং তাদের নিজ বাড়িতে উঠতেও বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

স্বামী সৈয়দ আলীর ভাষ্য, মামলা প্রত্যাহার না করায় প্রতিপক্ষ কয়েক দিন ধরে তাদের বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে দেয়। বাধ্য হয়ে তারা আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন। গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গোলাপিকে বাড়িতে ওঠার কথা বলে ফোনে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। দুই দিন ধরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধারের খবর পান স্বজনরা।

সৈয়দ আলী বলেন, “আমার স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”

নিহতের ভাই বেলাল হোসেন বলেন, “আমার বোনকে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল। আমরা জড়িত সবার বিচার চাই।”

এ ঘটনায় বেলাল হোসেন বাদী হয়ে রৌমারী থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওছার আলী বলেন, “হত্যা মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

গলায় কংক্রিটের ব্লক বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে হত্যার অভিযোগ ও ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এই বিভাগের আরো খবর