1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
তিস্তা-মহাপরিকল্পনা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী: ‘ধৈর্য ধরুন, কাজ চলছে’ - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নতুন ঘোষণা, বদলাবে ২ কোটি মানুষের জীবন: দুলু কালিয়াকৈরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুই ফার্মেসিকে জরিমানা ঝিনাইগাতীতে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে অসহায় পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ এক বছরের বিরতি কাটিয়ে আবারও টাইমস হায়ার র‍্যাংকিংয়ে রুয়েট শ্রেণিকক্ষে মাদ্রাসাছাত্রীকে নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগ, পরিচালক কারাগারে পিএসসির সুপারিশের পরও বাদ পড়াদের গেজেটের বিষয়ে যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে ভয়ঙ্কর রূপে ‘জুলাই’ ফিরবে: সেলিম উদ্দিন ফেরদৌসির পদত্যাগ, আসন শূন্য ঘোষণা ডেঙ্গুর দাপট অব্যাহত, সেপ্টেম্বরে প্রাণ গেল ১৫২ জনের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সর্বশক্তি নিয়োগ করবে বিএনপি: তারেক রহমান

তিস্তা-মহাপরিকল্পনা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী: ‘ধৈর্য ধরুন, কাজ চলছে’

মোবাশ্বের নেছারী, কুড়িগ্রাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬ ৯:১৩ পিএম
শেয়ার করুন

তিস্তা মহাপরিকল্পনা, ফারাক্কা চুক্তি ও পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে এবং এ বিষয়ে জনগণকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়াম-এ “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬” এর আঞ্চলিক পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফারাক্কা চুক্তি, পদ্মা ব্যারাজ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা—এই তিনটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রধান চ্যালেঞ্জ। একনেকে পদ্মা ব্যারাজের জন্য বরাদ্দ হয়েছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজও এগিয়ে নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের সরকার গঠনের মাত্র তিন মাস হয়েছে। সময় দিতে হবে। মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে টেকনিক্যাল যাচাই-বাছাই ও প্রক্রিয়াগত কাজ চলছে।”
ফারাক্কা চুক্তি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ১১ ডিসেম্বর বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। নতুন করে চুক্তি নবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালের চুক্তি, যা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর সময় স্বাক্ষরিত হয়েছিল, সেটি ছিল সবচেয়ে কার্যকর ও সময়োপযোগী।
এর আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” দেশের তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ আরও ভালো ফল অর্জন করবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন-নবী চৌধুরী ডন, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম।
“ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় রংপুর বিভাগের আট জেলার দল অংশ নেয়। ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, দাবা, কাবাডি, মার্শাল আর্ট, অ্যাথলেটিক্স ও সাঁতারসহ বিভিন্ন ইভেন্টে প্রতিযোগিতা চলছে।

এই বিভাগের আরো খবর