1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
তিস্তা-মহাপরিকল্পনা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী: ‘ধৈর্য ধরুন, কাজ চলছে’ - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নৌপথের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি যাচাই-বাছাইয়ের আগে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ১৫ অক্টোবর জমি দখলকে ঘিরে ফিরছে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের পুরোনো নেটওয়ার্ক অক্টোবরে জ্বালানি তেলের দাম জানাল মন্ত্রণালয় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত এলপিজির কৃত্রিম সংকট খতিয়ে দেখতে ডিসিদের নির্দেশ জ্বালানিমন্ত্রীর সার সংকটকে ইস্যু বানিয়ে বিএনপিকে হেয় করার চক্রান্ত! ববিতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ৪৮শিক্ষার্থীকে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা

তিস্তা-মহাপরিকল্পনা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী: ‘ধৈর্য ধরুন, কাজ চলছে’

মোবাশ্বের নেছারী, কুড়িগ্রাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬ ৯:১৩ পিএম
শেয়ার করুন

তিস্তা মহাপরিকল্পনা, ফারাক্কা চুক্তি ও পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে এবং এ বিষয়ে জনগণকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়াম-এ “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬” এর আঞ্চলিক পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফারাক্কা চুক্তি, পদ্মা ব্যারাজ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা—এই তিনটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রধান চ্যালেঞ্জ। একনেকে পদ্মা ব্যারাজের জন্য বরাদ্দ হয়েছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজও এগিয়ে নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের সরকার গঠনের মাত্র তিন মাস হয়েছে। সময় দিতে হবে। মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে টেকনিক্যাল যাচাই-বাছাই ও প্রক্রিয়াগত কাজ চলছে।”
ফারাক্কা চুক্তি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ১১ ডিসেম্বর বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। নতুন করে চুক্তি নবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালের চুক্তি, যা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর সময় স্বাক্ষরিত হয়েছিল, সেটি ছিল সবচেয়ে কার্যকর ও সময়োপযোগী।
এর আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” দেশের তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ আরও ভালো ফল অর্জন করবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন-নবী চৌধুরী ডন, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম।
“ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় রংপুর বিভাগের আট জেলার দল অংশ নেয়। ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, দাবা, কাবাডি, মার্শাল আর্ট, অ্যাথলেটিক্স ও সাঁতারসহ বিভিন্ন ইভেন্টে প্রতিযোগিতা চলছে।

এই বিভাগের আরো খবর