
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে স্বামীর ছুরিকাঘাতে মুনিরা খাতুন(২৬) নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। ২৭ জুলাই সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী ফরহাদ হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ফরহাদ হোসেন জয়পুরহাট জেলার আটুল গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে।এবং নিহত মুনিরা খাতুন জেলার ধামইরহাট উপজেলার অমরপুর গ্রামের মাসুদের মেয়ে। পুলিশ জানায়, এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গৃহবধু মুনিরা খাতুন তার বোন মহসিনার সাথে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ধামইরহাট উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায়। এদিকে গৃহবধুর স্বামী ফরহাদ হোসেন রোববার ভোরে ঢাকা থেকে বাড়িতে যান। দীর্ঘদিন থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলে আসছিল। এদিন সকালে ফরহাদ হোসেন বিষয়টি জানার পর তার স্ত্রীর কাছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায়। এসময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কথা বলার এক পর্যায়ে ঝগড়া শুরু হয়। এতে ফরহাদ হোসেন উত্তেজিত হয়ে তার স্ত্রীর বুকে ও পেটের ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় হাসপাতালে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা তাকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। গুরুত্বর আহতাবস্থায় মুনিরা খাতুনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে তিনি মারা যান। মুনিরা খাতুন হত্যাকান্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক স্বামী ফরহাদ হোসেনকে আটক করা হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।