1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ একেবারেই নতুন - আজকের কাগজ
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি আপসহীন: মাহদী আমিন বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধ তিন যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চালুর উদ্যোগ এসবি কর্মকর্তাকে পিটিয়ে হত্যা: আরও ৮ আসামি গ্রেপ্তার সংসদে দুই বিলের প্রতিবাদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট র‍্যাব থেকে এসআরবি বিলুপ্তির নামে অধিকতর জবাবদিহিহীন ব্যাটালিয়নে টিআইবির উদ্বেগ আ. লীগ নেতার গাড়িতে লং মার্চে অংশ নিয়েছে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৫৮ নতুন রোগী অস্ত্র, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রথম পুরস্কার পেয়েছে কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান পিপিএম কুবিতে র‍্যাগিং ইস্যুতে দুই পক্ষের আপস, অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদন

পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ একেবারেই নতুন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫ ৫:৫২ পিএম
শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, ‘পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ একেবারেই নতুন। এটি দেশের আইনে নয়, বিদেশের আইনের সঙ্গে সংযোগ করে করতে হবে। কোথায় কী আছে সে তথ্য আগে আনতে হবে। এস্টেট (সম্পদ) ফ্রিজ করার পর আদালতের মাধ্যমে বাকি প্রক্রিয়া হবে।’

শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বিকালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ কার্যক্রম এবং সমসাময়িক ব্যাংকিং নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, ‘প্রথমে এস্টেটগুলো (সম্পত্তি) ফ্রিজ করার চেষ্টা করব। আমরা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কথা বলছি, চিঠি দিচ্ছি। ল ফার্মগুলোর সঙ্গে কথা বলছি, শিগগিরই তাঁদের হায়ার করা হবে। এস্টেট ট্রেসিং ফার্মের সঙ্গে কথা বলছি। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এস্টেট ফ্রিজ করা হবে। এটিই হবে প্রাথমিক সফলতা।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে আমার ধারণা আড়াই থেকে তিন লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে। বেক্সিমকোর পাচার হওয়ার অর্থ ৫০ হাজার কোটি টাকার মতো। এগুলো শুধু বড় গ্রুপ। ছোটগুলোকে আপাতত দেখছি না। ভবিষ্যতে এমন কোনো কিছু যেন না হয়, তা আমরা ঠিক করতে আসছি। এজন্য আমরা প্রয়োজনীয় রেগুলেটারি সংশোধন করতে চাই।’

সমঝোতার ভিত্তিতেও পাচারকৃত টাকা ফেরানোর চেষ্টা চলছে জানিয়ে গভর্নর বলেন, ‘সব বিষয় আদালতের মাধ্যমে নয়, আউট অব কোর্ট সেটেলমেন্ট বলে একটা কথা আছে। তার আগে সব তথ্য নিতে হবে। যখন সব তথ্য থাকবে তখন তারা নেগোসিয়েশনে আসবে। নেগোসিয়শনে গেলে নির্ভুল তথ্য নিয়েই যাওয়া লাগবে। না হলে তো আমরা ঠকে যাব।’

অতীতে মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে দেখানো হত জানিয়ে আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি ৯-১০ শতাংশ দেখানো হতো। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেখা গেছে ১৩-১৪ শতাংশ। গত মাসে সেটি দেখা গেছে ৮-৯ শতাংশে আছে। সামগ্রিকভাবে মুদ্রাস্ফীতি স্বস্তির দিকেই আছে। আগামী বছর সেটিকে ৫ শতাংশ বা তার নিচে নামিয়ে আনতে পারব বলে ধারণা করছি।’

বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রামের উপপরিচালক মো. জোবাইর হোসেনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ ফাইন্যান্স ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের পরিচালক মো. আনিসুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম অফিসের পরিচালক মো. সালাহ উদ্দীন, মো. আরিফুজ্জামন, মো. আশিকুর রহমান, স্বরুপ কুমার চৌধুরীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরো খবর