
দুই জঙ্গি সদস্যকে ছিনতাইয়ের সময় মারধর ও পেপার স্প্রেতে আহত পুলিশ কনস্টেবল আজাদকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে তাকে ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে আটক ১২ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এ ছাড়া জামিনে থাকা দুই আসামি আদালতে উপস্থিত হন। তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় অভিযোগ গঠন শুনানি। তবে পলাতক ছয় আসামি উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে তাদের আদালত থেকে বের করা হয়।
এরপর সিএমএম আদালতের হাজতখানায় নেওয়ার পথে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের গেটের সামনে পৌঁছালে দুটি মোটরসাইকেলে চার জঙ্গি পুলিশের চোখে স্প্রে করে দুই আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ সময় তারা একটা মোটরসাইকেল ফেলে রেখে যায়। এরপর পুলিশ কনস্টেবল আজাদকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় রাজধানীতে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এ জন্য প্রতিটি থানা ও অন্যান্য ইউনিটে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। বিভিন্ন চেকপোস্টে সন্দেহভাজনদের যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে পলাতক দুই জঙ্গির ছবি বিভিন্ন থানায় পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের জনসংযোগ শাখা থেকে জানানো হয়েছে, দুই জঙ্গি সদস্যকে ধরিয়ে দিলে প্রত্যেকের জন্য ১০ লাখ টাকা করে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।
আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার মাধবপুরের মইনুল হাসান শামীম ওরফে সিফাত সামির ও লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার ভেটেশ্বর গ্রামের আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব। তারা জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য। তারা দুজনই জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সাল আরেফিন দীপন ও ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।
Leave a Reply