1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
‘যৌতুকের জন্য’ অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর শরীরে আগুন, ১১ দিন পর মৃত্যু - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:০৩ অপরাহ্ন

‘যৌতুকের জন্য’ অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর শরীরে আগুন, ১১ দিন পর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬ ১০:৩৪ পিএম
শেয়ার করুন

রাজধানীর মিরপুরে আগুনে দগ্ধ হওয়ার ১১ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন অন্তঃসত্ত্বা পোশাকশ্রমিক শিফা আক্তার (১৮)। তাঁর শরীরের ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এ ঘটনায় স্বামী ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ করেছে শিফার পরিবার।

আজ রোববার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত শিফার বাবা জাহাঙ্গীর আলম জানান, তাঁদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে। চার বোনের মধ্যে শিফা ছিলেন সবার বড়। প্রায় আট মাস আগে একই উপজেলার লাউরা পশ্চিমপাড়া গ্রামের সোহেলের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁরা রাজধানীর মিরপুর-২ এলাকার বড়বাগে আজমত গার্মেন্টসসংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। স্বামী-স্ত্রী দুজনই একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।

জাহাঙ্গীর আলমের অভিযোগ, বিয়ের সময় প্রতিশ্রুত যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় সোহেল ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা শিফার ওপর দীর্ঘদিন ধরে চাপ সৃষ্টি করতেন এবং বিভিন্ন সময় নির্যাতন করতেন। তিনি জানান, শিফা তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ঘটনার প্রায় এক মাস আগে তাঁকে মারধর করা হয় এবং গ্রামের বাড়িতে যেতে চাপ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে শিফা চাকরিও ছেড়ে দেন।

শিফার বাবার দাবি, গত ২৪ জুন রাতে সোহেল ও তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজন মিলে শিফার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যান। পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনের শ্রমিকেরা আগুন দেখতে পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিফা তাঁর বাবাকে জানান, স্বামী ও তাঁর সহযোগীরাই তাঁকে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন।

জাহাঙ্গীর আলম আরও অভিযোগ করেন, হাসপাতালে ১১ দিন চিকিৎসাধীন থাকার সময় স্বামীর পরিবারের কেউ শিফার খোঁজ নিতে আসেননি এবং ঘটনার পর থেকে তাঁরা আত্মগোপনে রয়েছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ।

এই বিভাগের আরো খবর