1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ - আজকের কাগজ
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাজীপুরে নিহত একই পরিবারের ৫ জনের দাফন সম্পন্ন পুলিশ চলবে আইন অনুযায়ী, কোনো দলের হয়ে নয়: প্রধানমন্ত্রী এমপিদের প্রতিশ্রুতি তদারকিতে বিশেষ সেল, দায়িত্ব পেলেন যারা তিস্তা মহাপরিকল্পনায় বদলে যাবে উত্তরাঞ্চল, আসবে কর্মসংস্থানের সুনামি: ত্রাণমন্ত্রী পদোন্নতির দাবিতে শিক্ষকদের আন্দোলন-সুরাহা না পেয়ে পদত্যাগ করলেব ববি প্রক্টর চট্টগ্রাম নগরীর পেশওয়ারাইন রেস্টুরেন্টে জেলা প্রশাসনের অভিযান চৌদ্দগ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান ঈদের আগে হিলিতে মশলার দাম কমায় স্বস্তিতে ক্রেতারা পরীক্ষা পথে অটোরিকশা উল্টে আহত ৬ পরীক্ষার্থী কুড়িকৃবিতে চার নতুন ইনস্টিটিউট অনুমোদন

লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ৬:২৯ পিএম
শেয়ার করুন

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জনের নাম বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

প্রশ্নোত্তর পর্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম সভাপতিত্ব করেন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জানান, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয় এমন ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কাজ একটি চলমান প্রক্রিয়া। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, অনেক অমুক্তিযোদ্ধা ভুল তথ্য দিয়ে ভারতের তালিকায় নাম লিখিয়েছিলেন, এখন যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জানান, গত ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে এ পর্যন্ত মোট ৮৪২টি অমুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে নিবিড় তদন্ত শেষে ৪৮১ জনের গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে নাম বাতিলের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর জামুকার একটি উপকমিটি বিস্তারিত তদন্ত ও শুনানি পরিচালনা করে। অভিযুক্ত ব্যক্তি অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে তার সনদ ও সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করা হয়।

আহমেদ আজম খান আরও জানান, শুধু নির্দিষ্ট কোনো এলাকা নয়, দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অমুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে একই পদ্ধতিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তালিকা পুরোপুরি স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এই বিভাগের আরো খবর