1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
সাড়ে তিন মাসেও নেই খুকুমণির খোঁজ - আজকের কাগজ
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শনিবার কক্সবাজার থেকে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংককে ফেইল করিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা চলছে: অর্থমন্ত্রী সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত করবে সরকার: জাহেদ উর রহমান মানবপাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে বিমানের ২ কর্মকর্তা বরখাস্ত অবসরের ভাবনা প্রত্যাখ্যান করলেন শেখ হাসিনা দেশের ১০ জেলায় রাতের মধ্যে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা হামলায় নিহত খামেনির দাফনের সময় জানালো ইরান শিক্ষার্থীদের অধিকার ও আন্দোলন সংগ্রামে জবি প্রেসক্লাবের ভূমিকা অগ্রগামী: উপাচার্য বেহাল লেঙ্গুর বিল সড়কের, টেকনাফ ষ্টেশন অংশে বাড়ছে জনদুর্ভোগ ও মৃত্যুঝুঁকি হাকিমপুরে নবাগত ইউএনও জর্জ মিত্র চাকমা’র যোগদান, ফুলেল শুভেচ্ছা

সাড়ে তিন মাসেও নেই খুকুমণির খোঁজ

মোবাশ্বের নেছারী, কুড়িগ্রাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬ ৯:০৫ পিএম
শেয়ার করুন

প্রতিদিন ঘুম ভাঙে একটাই আশায়— হয়তো আজ ফিরে আসবে মেয়েটা। দরজায় কড়া নাড়বে, “মা” বলে ডাক দেবে। কিন্তু সেই অপেক্ষার প্রহর যেন শেষই হচ্ছে না কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকার কৃষক আলতাফ মন্ডলের পরিবারের।

প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে নিখোঁজ তাদের মাদরাসাপড়ুয়া মেয়ে খুকুমণি (১৫)। পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করা হয়েছে। কিন্তু মামলা হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত মেয়েটির কোনো সন্ধান মেলেনি। গ্রেপ্তার হয়নি মামলার আসামিরাও। এতে চরম উৎকণ্ঠা ও হতাশায় দিন কাটছে পরিবারটির।

মেয়ের ছবি বুকে জড়িয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বাবা আলতাফ মন্ডল বলেন, “আমি কোনো বিচার চাই না, শুধু আমার মেয়েটাকে ফিরে চাই। কতোদিন তার মুখ দেখি না। বুকটা ফেটে যাচ্ছে।”

মা সাহেরা বেগম বলেন, “পূর্ব শত্রুতার জেরে আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে গেছে। থানা ও আদালতে মামলা করেছি। কিন্তু এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। আমার মেয়েটা বেঁচে আছে কি না সেটাও জানি না।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত এপ্রিলে উলিপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন সাহেরা বেগম। মামলায় ইসলামপুর এলাকার হৃদয় হোসেন, মজিবর রহমান, মজিদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও ছালমা বেগমকে আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের গ্রেপ্তারে গড়িমসি করা হচ্ছে। তবে পুলিশ বলছে, আসামিদের ধরতে অভিযান চলমান রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল মিয়া বলেন, “একটি অসহায় কৃষক পরিবারের মেয়েকে তুলে নেওয়ার পরও এতদিন কোনো অগ্রগতি নেই। দ্রুত মেয়েটিকে উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেপ্তার করা উচিত।”

এ বিষয়ে সাহেবের আলগা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ ও র‍্যাব যৌথভাবে কাজ করছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।”

এদিকে প্রতিদিন মেয়ের একটি ছবি হাতে নিয়ে অপেক্ষা করেন বাবা-মা। কখন দরজায় কড়া নাড়বে তাদের আদরের খুকুমণি— সেই আশাতেই দিন গুনছে অসহায় কৃষক পরিবারটি।

এই বিভাগের আরো খবর