
সন্ধ্যা সাতটার দিকে নয় বছর বয়সী নাঈম ঘরের কোণে রাখা স্পিকারকে জানতে চেয়েছিল, রাতে বৃষ্টি হবে কি না। স্পিকার তাকে শুধু উত্তরই দেয়নি, ছাতা নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছিল। শিশুর এই কৌতূহলী হাসি আনন্দের মনে হলেও, তার মায়ের মনে প্রশ্ন জেগেছে, এই যন্ত্র কি তবে সারাক্ষণ মানুষের কথা শুনে যাচ্ছে? স্পিকার সুন্দর করে উত্তর দিল, এমনকি জানতে চাইল, ছাতাটা কি সঙ্গে নেবে। শিশুটা খিলখিল করে হেসে উঠল, কিন্তু মা ভাবলেন, যন্ত্রটা তাহলে সারাক্ষণ কান পেতেই আছে। নয় বছরের নাঈম (ছদ্মনাম) ঘরের কোণের স্পিকারকে জিজ্ঞেস করল, ‘আজ রাতে কি বৃষ্টি হবে।
স্মার্ট স্পিকার বা এআইচালিত হোম অ্যাসিস্ট্যান্টগুলো এখন অনেক বেশি কর্মক্ষম। আগে এগুলো কেবল নির্দিষ্ট কিছু কমান্ড বুঝত, কিন্তু জেনারেটিভ এআই যুক্ত হওয়ায় গুগল জেমিনাই বা অ্যামাজনের অ্যালেক্সা প্লাসের মতো আধুনিক সিস্টেম এখন বাতি জ্বালানো, রিমাইন্ডার দেওয়া বা ক্যালেন্ডার সাজানোর মতো একাধিক কাজ একসাথে করতে পারে। যদিও বাংলাদেশে এ ধরনের স্মার্ট সুবিধার পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার এখনো সীমিত। তবে এসব যন্ত্র ঘরে থাকা মানেই ব্যক্তিগত কথোপকথন রেকর্ড হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। কোম্পানিগুলো যদিও বলে যে আলোর সংকেত দেখে বোঝা যায় স্পিকার কখন সচল থাকে এবং এটি বন্ধ করার জন্য মাইক মিউট করার বোতামও দেওয়া থাকে, তবুও বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে।
নিরাপদ থাকতে নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করতে পারেন
ঘরের দরজায় তালা থাকলেও প্রযুক্তির কানে সুর না থাকলে আপনার গোপনীয়তা হুমকিতে পড়তে পারে। স্মার্ট স্পিকারের সুবিধা নেওয়ার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণের বোতামটি নিজের হাতে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।