1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
স্মৃতির পাতায় স্বাক্ষর রেখে গেলেন প্রফেসর তানজিদা হোসেন - আজকের কাগজ
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিক্যাল পরীক্ষা ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উপড়ে পড়া গাছ অপসারণ, যান চলাচল স্বাভাবিক বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে জেটরোর প্রেসিডেন্টকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আহ্বান গ্রাহকদের: বাজারে আসার পরপরই আইফোন ডুও ফোনের পর্দায় ফাটল পাক-আফগান সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা, গোলাগুলিতে নিহত এক অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানল অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় অর্ণব জাপান ব্যাংকের গভর্নরের সাথে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম বন্ধুসভার প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ফাহিম একাদশের জয় অনুমোদনহীন নির্মাণের অভিযোগে কুয়াকাটায় ইস্তানবুল হোটেলের কাজ বন্ধ

স্মৃতির পাতায় স্বাক্ষর রেখে গেলেন প্রফেসর তানজিদা হোসেন

জিসান আহমেদ কাব্য
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫ ৪:৩৬ পিএম
শেয়ার করুন

সরকারি বাঙলা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর তানজিদা হোসেন গত মঙ্গলবার (৯ জুলাই) কলেজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেন। প্রায় দেড় দশক ধরে তিনি এই ক্যাম্পাসে শিক্ষকতার পাশাপাশি ছিলেন শিক্ষার্থীদের প্রিয় একজন অভিভাবক ও পরামর্শদাতা।

দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করলেও তানজিদা হোসেন সবসময় থেকেছেন বিনয়ী, সহানুভূতিশীল ও শিক্ষার্থীবান্ধব। ক্লাসে পড়ানোই নয়, ক্লাসের বাইরেও ছাত্রছাত্রীদের নানা সমস্যা সমাধানে তিনি ছিলেন এক নির্ভরযোগ্য আশ্রয়। কারও খোঁজ না পেলে নিজেই ফোন করে খবর নিতেন।

তাঁর শিক্ষকতা শুরু হয়েছিল ১৪তম বিসিএসের মাধ্যমে। প্রথম কর্মস্থল ছিল বগুড়ার সরকারি মজিবর রহমান ভান্ডারী মহিলা কলেজ। এরপর তিনি নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ (২০০১–২০০৪), কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ (২০০৪–২০০৮) ঘুরে ২০০৮ সালে যোগ দেন সরকারি বাঙলা কলেজে। তবে এর আগেও তিনি ১৯৯৪ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত এ কলেজেই শিক্ষকতা করেছেন। তাই ২০০৮ সালে ফেরার মধ্য দিয়ে যেন আপন গৃহেই ফিরেছিলেন তিনি।

প্রফেসর তানজিদা হোসেনের শিক্ষাজীবন শুরু ময়মনসিংহ মুমিনুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে। এরপর তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে, সেখান থেকে ১৯৮৬ সালে অনার্স ও ১৯৮৭ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

বিদায় অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর কামরুল হাসান বলেন, “জীবনে বড় সম্পদ হলো মানুষের ভালোবাসা পাওয়া। প্রফেসর তানজিদা হোসেন সে ভালোবাসা অর্জন করতে পেরেছেন, এটাই তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক নাহিদা পারভিন স্মৃতিচারণ করে বলেন, “তাঁর হাসিমুখ, মানবিক আচরণ আমাদের সকলের অনুপ্রেরণা। শিক্ষার্থীরা আজীবন তাঁকে মনে রাখবে।”

অনুষ্ঠানে একসময় শিক্ষার্থীরা গান গাইতে শুরু করলে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি প্রফেসর তানজিদা হোসেন। কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। যেন চোখের জলে লেখা হয়ে যাচ্ছিল—এই বিদায় শুধুই পেশাগত জীবনের ইতি নয়, বরং এক ভালোবাসার বন্ধনের ছেদ।

ছোট্ট একটি শব্দ—বিদায়, কিন্তু এর গভীরতা অনেক। প্রফেসর তানজিদা হোসেন সেই বিদায়কে ভালোবাসা, দায়িত্ব আর মানবিকতার আলোয় আলোকিত করে রেখে গেলেন। তাঁর দেখানো পথই আগামী দিনে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের সামনে আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে।

এই বিভাগের আরো খবর