1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
আমরা যারা পাবলিক ফিগার, প্রতিনিয়ত সাইবার নিপীড়নের শিকার হচ্ছি: রুমিন ফারহানা - আজকের কাগজ
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর যুবলীগ সম্পাদক নিখিলের ভাইসহ দুইজন কারাগারে ‘প্রাথমিকের বঞ্চিতদের রোববারের মধ্যে নিয়োগপত্র দিতে হবে’ ‘তেল-গ্যাসের সংকট নেই, এখন কী নিয়ে আন্দোলন করবেন’ মিয়ানমারের গণহত্যা মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে আগামী মাসে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর কোনোদিন দেশের মাটিতে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে একদিনে আরও তিন মৃত্যু, মোট ১০৮৭ নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের গোপন বৈঠক থেকে সাংবাদিক সূর্য আটক বদলাচ্ছে পুলিশের বিশেষ ২ ইউনিটের নাম ‘অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না, রাড্ডায় পুলিশের গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা’

আমরা যারা পাবলিক ফিগার, প্রতিনিয়ত সাইবার নিপীড়নের শিকার হচ্ছি: রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬ ৮:৫৯ পিএম
শেয়ার করুন

সাইবার স্পেসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংসদ সদস্যরা। একই সঙ্গে নতুন সাইবার আইন যেন বিরোধী মত দমন বা রাজনৈতিক হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধী দলের সদস্যরা।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) বিল-২০২৬-এর ওপর আলোচনায় এসব দাবি উঠে আসে। পরে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করলে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

জুয়া-সংক্রান্ত ধারা বাতিল
পাস হওয়া সংশোধনীতে সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। ওই ধারায় সাইবার স্পেসে জুয়া-সংক্রান্ত অপরাধ ও শাস্তির বিধান ছিল। একই দিনে সংসদে জুয়া ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে পৃথক আইন পাস হওয়ায়, যেখানে অনলাইন জুয়ার সংজ্ঞা ও শাস্তির বিধান বিস্তারিতভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, সে কারণে সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে ওই ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে।

নারীদের নিরাপদ সাইবার স্পেসের দাবি
আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমরা যারা রাজনীতি করি, পাবলিক ফিগার, নোন ফেস তাদের প্রতিনিয়ত সাইবার নিপীড়নের শিকার হচ্ছি।’ তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে সত্য-মিথ্যা তথ্য আলাদা করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ছে। গ্রামের মানুষের হাতেও এখন স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পৌঁছে গেছে। ফলে বিশেষ করে রাজনীতি ও গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত নারীদের জন্য সাইবার স্পেস দিন দিন আরও কঠিন হয়ে উঠছে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, নারীদের জন্য একটি নিরাপদ সাইবার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

রুমিন ফারহানা রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, যে দলেরই কর্মী বা সমর্থক হোন না কেন, নারীদের অনলাইনে হয়রানি বন্ধ করতে হবে। বিরোধী মতের কর্মীদের নিপীড়ন সাময়িকভাবে কারও কাছে আনন্দদায়ক মনে হলেও, শেষ পর্যন্ত তা বুমেরাং হতে পারে।

এই বিভাগের আরো খবর