1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
কয়েক দিনে পাহাড়ধসে ৩০ জন মারা গেছে: সংসদে ত্রাণমন্ত্রী - আজকের কাগজ
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নওগাঁয় চার হাজার ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার,পাঁচ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক সালমান মুক্তাদির ইস্যুতে মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার দখলবাজি-চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা ক্ষমতাসীন দলের জন্য অশনিসংকেত: টিআইবি দফায় দফায় হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে যেভাবে বেঁচে ফিরলেন মোজতবা খামেনি হাফপ্যান্ট পরায় অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে মেট্রোস্টেশনে হেনস্তার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা ও দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ : বিপ্লব কুমারের সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ আওয়ামী লীগের স্টাইলে বক্তব্য দিচ্ছে বিরোধী দল : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী সংবিধানে ফিরছে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা’; জানুয়ারিতে সংশোধন বিল, পাস হলেই গণভোট চরফ্যাশনে ব্যবসায়ীর গলা ও পেট কাটা মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজন নারীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত, ঘরে বিক্ষুব্ধ জনতার আগুন

কয়েক দিনে পাহাড়ধসে ৩০ জন মারা গেছে: সংসদে ত্রাণমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬ ১০:০০ পিএম
শেয়ার করুন

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, দুর্গত এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা, খাদ্য ও নগদ সহায়তা দেওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে প্রশাসন কাজ করছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, গত কয়েক দিন বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সেখানে পাহাড় ধসে বেশ কিছু প্রাণহানি ঘটেছে। চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে ৫, কক্সবাজারে ১৯, রাঙামাটিতে এক ও বান্দরবানে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে এসব দুর্গত এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। চট্টগ্রামে ৪১১, কক্সবাজারে ৬৪০, রাঙামাটিতে ২১, খাগড়াছড়িতে ১৩৫ ও বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। নগদ টাকা ও খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্রে সুপেয় পানি ও খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী পরস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন, দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডার থেকে প্রতি জেলায় ২০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, প্রয়োজনে আরও জরুরি বরাদ্দ দেওয়া হবে।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, পাহাড় ধসে প্রাণহানি রোধে স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। এ ছাড়া জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি জেলায় ১০০ টন চাল ও দুই লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর