1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ঝিনাইগাতীতে আর্থিক সংকটের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে বিধবা নারী - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমরাই যেচে সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম: টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সংসদে স্পিকার এবার লোহিত সাগরে সামরিক অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের ইরানকে অস্ত্র না দিতে শি জিনপিংকে চিঠি পাঠালেন ট্রাম্প হঠাৎ কমলো স্বর্ণের দাম বার কাউন্সিলে নির্বাচন করতে হাইকোর্টে রিট ব্যারিস্টার সুমনের দুই মাসে ‘ট্র্যাপে ফেলে’ মিরপুরে ১৩ ধর্ষণ, অভিযুক্ত রাব্বি গ্রেপ্তার নাগরিকদের ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ইস্টার্ন রিফাইনারি ‘লো-ফিডে’ চালু, সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়বে না: জ্বালানি মন্ত্রণালয়

ঝিনাইগাতীতে আর্থিক সংকটের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে বিধবা নারী

শেরপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬ ৭:৫২ পিএম
শেয়ার করুন

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আর্থিক সংকটে বিধ্বস্ত গৃহ সংস্কারের অভাবে অনেক কষ্টে জীবন যাপন করছেন আকলিমা বেগম (৬৫) নামে এক বিধবা নারীর। আকলিমা বেগম ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামের মৃত আব্দুল ছামাদের স্ত্রী। সহায় সম্বল হীন আকলিমা বেগম নানা রোগে আক্রান্ত। পরিবারে আয়ের উৎসের কেউ নেই। দুই ছেলে বিয়েসাদী করে করছে আলাদা সংসার। তাদেরই দিন চলে অতিকষ্টে। আকলিমা বেগমের এক মেয়ে বিধবা নারী আজমিনা বেগম। আজমিনা বেগমের পিতা আব্দুস ছামাদ ছিলেন একজন দিনমজুর। দিনমজুরি করে চলতো তাদের সংসার । কিন্তু গত প্রায় ৮ বছর পুর্বে আব্দুস ছামাদের মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর থেকে আজমিনা অন্যের বাড়িতে দিনমজুরি করে চালাচ্ছেন তাদের সংসার। আজমিনা জানান একদিন কাজ না পেলে সেদিন মা মেয়েসহ দুই সদস্যের পরিবারের থাকতে হয় অনাহারে অর্ধাহারে। এরপরেও আবার অসুস্থ মায়ের জন্য নিয়মিত ওষুধপত্র কিনতে হয় আজমিনাকে। জানা গেছে, বন বিভাগের একটুকরো জমির ওপর মানদাতা আমলের একটি মাটির একটি দেয়াল ঘর নির্মান করে বসবাস করে আসছেন পরিবারটি। কিন্তু গত ২ বছর পুর্বে মাটির দেয়াল ঘরটি বিধ্বস্ত হয়ে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে ঘরটি আর সংস্কার করতে পারেননি পরিবারটি। চলের টিনগুলো দুমড়েমুচড়ে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পাড়েছে।
জানা গেছে, সামান্য বৃষ্টি হলে চোখের ঘুম হারাম হয়ে পড়ে। টাকা পয়সার অভাবে ঘরটি সংস্থার করা সম্ভব হয়ে উঠছে না। ফলে মা আকলিমা ও মেয়ে আজমিনা বেগম অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছে। না পারছে কাউকে বলতে না পারছে সইতে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে ঘর সংস্কারের জন্য ঘুরেও কোন কাজ হয়নি। আজমিনা বেগম প্রশাসনসহ দেশের দানশীল ও বৃত্তবানদের কাছে আর্থিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো, আল আমিনের সাথে কথা হলে বিষয়টি তিনি দেখবেন বলে জানান।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *