
মিরপুরে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচে শুরুতে উইকেট না পেলেও রান আটকে রাখতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়ার পর প্রথম পাঁচ ওভারে কোনো উইকেট না পেলেও খুব বেশি রান করতে দেয়নি স্বাগতিক বোলাররা।
শুরুর দিকে নতুন বল হাতে দায়িত্ব পান দুই অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাকিস্তান উইকেট না হারালেও সুবিধা করতে পারেনি।
পরে আক্রমণে এসে দ্রুত ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেন নাহিদ রানা। দশম ওভারেই তিনি প্রথম আঘাত হানেন। অফ স্টাম্পের বাইরের বল উঁচুতে তুলে দেন ফারহান। সহজ ক্যাচ নেন আফিফ হোসেন।
আউট হওয়ার আগে ৩৮ বলে চারটি চারে ২৭ রান করেন ফারহান।
এরপর নিজের পরের ওভারেই আরেকটি উইকেট তুলে নেন নাহিদ। বড় শটের চেষ্টা করেন শামিল হোসেন। তবে ব্যাটের কানায় লেগে বল উঠে যায় আকাশে।
উইকেটের পেছনে ক্যাচ নেন লিটন দাস। শামিল করেন ৭ বলে ৪ রান।
নাহিদের ঝড় থামেনি সেখানেই। টানা তৃতীয় ওভারে তিনি ফেরান ওপেনার মাজ সাদকাতকে। অপ্রস্তুত খেলা শট থেকে ক্যাচ তুলে নেন সাইফ হাসান।
২৮ বলে ১৮ রান করেন সাদকাত।
নাহিদের গতিময় বোলিংয়ে এই সময়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ। এরমাঝেই দৃষ্টিনন্দন শটে বাউন্ডারি হাঁকান মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে পরের বলেই তাকে প্যাভিলিয়নে পাঠান নাহিদ। অফ স্টাম্পের বাইরের বল তালুবন্দী করে নেন নেন লিটন।
পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আলি আগাকে ফিরিয়ে ম্যাচে নিজের ফাইফার পূর্ণ করেন নাহিদ। দুর্দান্ত ক্যাচ নেন তানজিদ হাসান। ৮ বলে সালমান করেন ৫ রান।
নাহিদের পর টাইগার অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও পান উইকেটের দেখা। আব্দুল সামাদকে আউট করে প্রথম উইকেটের দেখা পান অধিনায়ক।
বাংলাদেশের বোলিং তোপে দিশেহারা পাকিস্তান। ২২ ওভারে ৬ উইকেট খুঁইয়ে ধুঁকছে সফরকারীরা। স্কোরবোর্ডে সংগ্রহ মাত্র ৭৭ রান।
Leave a Reply