1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
মিড-ডে মিলে কুপন পদ্ধতির পরিকল্পনা, শিক্ষার্থী পাবে ৩৮ টাকা ৫০ পয়সা: শিক্ষামন্ত্রী - আজকের কাগজ
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জুলাই সনদ যেভাবে স্বাক্ষর হয়েছে, সেভাবেই বাস্তবায়ন করব : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আ.লীগের সঙ্গে মীমাংসার প্রশ্নে যা বললেন উপদেষ্টা জাহেদ মসজিদে ফজরের আজান দিতে গিয়ে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু কালিয়াকৈরে অবৈধ সম্পর্কে প্রাণ গেল প্রেমিকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ‘বিএইটিই অ্যাক্রিডিটেশন’ তালিকায় রুয়েটের যন্ত্রকৌশল ও ইটিই বিভাগ ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতি জানাতে বলেছে সংসদীয় কমিটি সরকারি খরচে হজের নীতিমালা ও মসজিদে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প গ্রহণের সুপারিশ আদালত থেকে আসামি পালালেন, কনস্টেবল বরখাস্ত, তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি ডেঙ্গুতে একদিনে ১০ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৯৬ জন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পরিবর্তনে গণভোটের বিধান আসছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিড-ডে মিলে কুপন পদ্ধতির পরিকল্পনা, শিক্ষার্থী পাবে ৩৮ টাকা ৫০ পয়সা: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ ৯:২১ পিএম
শেয়ার করুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের অনিয়ম-দুর্নীতি কমাতে কুপন পদ্ধতির চিন্তা করছে সরকার। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ৩৮ টাকা ৫০ পয়সার কুপন দেওয়া হবে, আর তা দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ের তালিকাভুক্ত খাদ্য ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পছন্দ অনুযায়ী খাবার কিনবে শিশুরা, এমনটা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মিড-ডে মিল ব্যবস্থায় স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি অনিয়ম ও দুর্নীতি কমানোর লক্ষ্যেই কুপন পদ্ধতি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে সক্ষমতা অনুযায়ী খাদ্য ব্যবসায়ীদের তালিকাভুক্ত করা হবে।

তিনি জানান, তালিকাভুক্ত কোনো দোকান বা ব্যবসায়ীর কাছে কোনো শিক্ষার্থী তার পছন্দের খাবার না পেলে সেখান থেকে খাবার কিনতে বাধ্য হবে না। সে ক্ষেত্রে কুপনের অর্থ শিক্ষার্থীর কাছেই থাকবে।

তবে কুপন পদ্ধতি চালুর বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আরও আলোচনা ও পর্যালোচনার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যের বই নিয়েও কথা বলেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, পাঁচস্তরে বইয়ের মান যাচাই করা হচ্ছে। কেউ কাগজের মান খারাপ দিলেই সেই বই বাতিল করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৩০ লাখ বই কেটে বিনষ্ট করা হয়েছে। তারপরেও অনেকেই খারাপ মানের বই দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে শেষ পর্যন্ত বই শিক্ষার্থীর হাতে দেয়া হলেও মান খারাপ পেলে ওই প্রিন্টার্সের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে মন্ত্রণালয়।

এই বিভাগের আরো খবর