1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
রামিসা হত্যার ফরেনসিক রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নৌপথের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি যাচাই-বাছাইয়ের আগে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ১৫ অক্টোবর জমি দখলকে ঘিরে ফিরছে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের পুরোনো নেটওয়ার্ক অক্টোবরে জ্বালানি তেলের দাম জানাল মন্ত্রণালয় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত এলপিজির কৃত্রিম সংকট খতিয়ে দেখতে ডিসিদের নির্দেশ জ্বালানিমন্ত্রীর সার সংকটকে ইস্যু বানিয়ে বিএনপিকে হেয় করার চক্রান্ত! ববিতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ৪৮শিক্ষার্থীকে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা

রামিসা হত্যার ফরেনসিক রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬ ৯:৩৪ পিএম
শেয়ার করুন

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

শনিবার দুপুরে তারা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া নিপুন ডিএনএ রিপোর্ট সংগ্রহ করেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে ভিসেরা ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সিআইডির পক্ষ থেকে সব ফরেনসিক রিপোর্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্টগুলো হাতে পাওয়া গেছে। অভিযোগপত্র তৈরির কাজ চলছে। আগামীকাল রোববার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে।

গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সোহেল আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

এদিকে, অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে কোনো আইনজীবী আইনি লড়াইয়ে অংশ নেবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা আইনজীবী সমিতি। শিশুটির প্রতি মানবিক দায়বদ্ধতা ও অপরাধের ভয়াবহতা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর