1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
সিইসির কাছে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র জমা ১১ দলীয় জোটের - আজকের কাগজ
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন

সিইসির কাছে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র জমা ১১ দলীয় জোটের

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ ৬:১৩ পিএম
শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদকে প্রার্থী করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে ১১ দলীয় জোট। এই নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রার্থী হিসেবে অলি আহমদের নাম প্রস্তাব করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান এবং সমর্থন জানিয়েছেন এনসিপির সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিন।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর এসব তথ্য জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ।

মনোনয়ন দাখিল শেষে হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের বলেন, মনোনয়ন আমরা সিইসির কাছে দাখিল করেছি এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। আমাদের মনোনীত প্রার্থী অলি আহমদ। ফর্মে ইসি যা যা তথ্য চেয়েছে, আমরা তার সবই সঠিকভাবে দিয়েছি।

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে দলীয় সরকার থাকলে সাধারণত তারা একক প্রার্থী দেয়, ফলে কোনো প্রতিযোগিতা হয় না। কেবল ১৯৯১ সালে একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হয়েছিলো। এবার আমরা সুস্থ গণতান্ত্রিক চর্চার স্বার্থে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখানে জামায়াত জিতবে নাকি হারবে সেটা মূল বিষয় নয়; মূল বিষয় হলো আমরা গণতন্ত্রের চর্চার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন চাই।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক চর্চার ক্ষেত্রে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ একটি বড়ো বাধা। ঐকমত্য কমিশনে তিন দিন আলোচনার পর আমরা সবাই একমত হয়েছিলাম যে ৭০ অনুচ্ছেদ থাকবে না। কিন্তু গণভোটে বিষয়টি পাস হওয়ার পরও বিএনপির গড়িমসির কারণে এই সংস্কার বাস্তবায়িত হয়নি। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলে অলি আহমদ বিপুল ভোটে বিজয়ী হতেন।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতোক্ষণ পর্যন্ত ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল রয়েছে, ততোক্ষণ পর্যন্ত সব এমপিকেই এটি মেনে চলতে হবে। তবে সরকার চাইলে অধ্যাদেশ জারি করে এই অনুচ্ছেদটি বাদ দিতে পারতো, কিন্তু তারা তা করেনি। বিএনপি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করলে তাদের আর এভাবে সমালোচিত হতে হতো না।

এ সময় বিএনপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করে আযাদ বলেন, বিএনপির মধ্যে প্রার্থী বাছাই নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব লক্ষ্য করছি। পাশাপাশি সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি জায়গায় কীভাবে দলীয় বৈঠক হয়, আমরা তার তীব্র সমালোচনা করছি।

একই সময় জোটের নেতা নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি নির্বাচন কমিশনে অতিরিক্ত সচিব শামসুলকে নিয়োগ দিয়ে ইসিকে তাদের দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করেছে।

এই বিভাগের আরো খবর