
হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন দীর্ঘদিন যাবৎ। সঠিক ও বিচার পাওয়ার আশায় ঘুরছেন পুলিশের দ্বারে দ্বারে। উভয় পক্ষ থেকে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
মুন্সিগঞ্জ জেলার পদ্মা উত্তর থানায় মামলা নিতে চায় না থানায় কর্মরত এসআই মিঠুন বৈদ্য। উভয় পক্ষ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
মুন্সিগঞ্জের পদ্মা সেতু (উত্তর) কান্দিপাড়া গ্রামের মামসুল হাওলাদারের ছেলে মোঃ চঞ্চল হাওলাদারের উপর হামলা চালায় তার ছোট বোনের স্বামীসহ ৪ জনে। হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে ৪ জনকে বিবাদী করে পদ্মা সেতু উত্তর থানায় একটি লিখত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের সঠিক তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব নেন থানায় কর্মরত এসআই মিঠুন বৈদ্য। তদন্তের নামে উভয় পক্ষ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করেছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগসূত্রে জানা গেছে গত ১০ বছর পূর্বে শারমিন আক্তার (২২) এর সাথে বিরাহ হয় সঞ্জীব হাওলাদার (২৫) এর সাথে। বিবাহের পর হতেই শারমিন কে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করিয়া আসিতেছে এ বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে বিচার শালিস করা হয়েছে তারই জেরে ২৪/০৯/২০২৫ তারিখ দুপুর অনুমান ২ টার দিকে বিবাদীগণ একত্রিত হয়ে দা, লোহার সাম্পল, লোহার রড নিয়া পদ্মা সেতু উত্তর থানাধীন কান্দিপাড়া গ্রামে বসত বাড়ীতে প্রবেশ এ হামলা চালায়।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী জানান মোঃ চঞ্চল হাওলাদারের স্ত্রী শাহনাজ বেগম বলেন আমার আমাদের বসত বাড়িতে এসে আমার স্বামীর উপর হামলা করে হাতের দুই হাড় ভেঙ্গে ফেলেছে, হাতের রগ কেটে ফেলেছে চিকিৎসা করতে অনেক টাকা লাগবে এত টাকা আমি কই পাব।থানায় অভিযোগ করেছি বেশি টাকা দিতে পারিনা তাই পুলিশ কোন কাজ করে না। পুলিশ একদিন আসছে আমার কাছ থেকে ১৫ শ টাকা নিয়েছে। টাকার জন্য আমার স্বামীর চিকিৎসাই করতে পারতেছি না আমি পুলিশকে বেশি টাকা কই থেকে দেব।
হামলাকারী হাসেমের কাছ থেকে এসআই মিঠুন বৈদ্য ১৩ হাজার টাকা নেওয়ার প্রমান রয়েছে।
অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মিঠন বৈদ্যর মুঠোফোন নম্বর-০১৬৫০১১৯১৯৬ একাধিক কল করার পরে-ও রিসিভ করেনি।
পদ্মা সেতু উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ রুবেল হাওলাদার প্রতিবেদক কে বলেন উভয় পক্ষ থেকে টাকা নিয়েছে সেবিষয়ে আপনি ডকুমেন্টস দিবেন। ডকুমেন্টস পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।
Leave a Reply