
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে জুলাই সংশ্লিষ্ট চারটি বিষয়ে সংসদীয় বিশেষ কমিটির সব সদস্য একমত হয়েছেন।
বুধবার (২৫ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত কমিটির মুলতবি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ১২০টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা শেষ হয়েছে এবং যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ‘জুলাই সনদ’ ও সংবিধানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জুলাই-সম্পর্কিত চারটি অধ্যাদেশে সবার ঐকমত্য হয়েছে। বাকি অধ্যাদেশগুলো নিয়ে আগামী ২৯ মার্চ আবার আলোচনা হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই বিশেষ কমিটির বৈঠক বুধবার দুপুর ২টায় শুরু হয়। এর আগে ২৪ মার্চ প্রথম দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ১৫ মার্চ স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে কমিটিটি গঠন করা হয়।
কমিটির প্রধান দায়িত্ব হলো—অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে কোনগুলো স্থায়ী আইন হিসেবে থাকবে এবং কোনগুলো বাতিল হবে তা নির্ধারণ করা।
১২ মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশনে এসব অধ্যাদেশ উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী। সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী, ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিনের সভাপতিত্বে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলামসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সদস্যরা জানিয়েছেন, অবশিষ্ট ১৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে ২৯ মার্চের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরি করা হবে, যা পরে সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
Leave a Reply