
দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বন্যার পানি নেমে যাবার প্রেক্ষাপটে সরকার ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি পুনর্বানে জোর দিচ্ছে। তিনি বলেন, ত্রাণ বিতরণে কোন ধরণের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোন রকম দুর্নীতি স্বজনপ্রীতিকে আমরা বরদাস্ত করব না।
আজ বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর খানখানাবাদ ইউনিয়নে বন্যার্তদের ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বন্যা প্লাবিত মানুষের ক্ষেত্রে কোন রাজনীতি নাই। যারাই দুর্গত তাদেরকে ত্রাণ দিতে হবে। আর এ ধরণের কোন অভিযোগ যদি আসে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব আমরা।
এরআগে খাল পরিদর্শন করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল যে, আমরা রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের এসমস্ত খালগুলোকে পুনঃখনন করব। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল কেটে যে বিপ্লব করেছিলেন। তখন খাদ্যে আমাদের ঘাটতি ছিল। এই খাল কাটার মাধ্যমে খাদ্য উদ্ধৃত্ত হয়েছিল। সেই খাদ্য বিদেশে রফতানি করা হয়েছিল। আজকে আমি সরেজমিনে দেখলাম, খাল কাটার ফলে অনেকখানি পানি নিষ্কাশন হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্যটা হচ্ছে, বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশন যেমন হবে, শুকনা মৌসুমে পানি ধরে রাখব আমরা। খালের পাড়ে আমরা কাজ লাগাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘খালের বাকি অংশটা যাতে সামনের শুকনা মৌসুমে সম্পন্ন করা যায় সেজন্য আমি আমার মন্ত্রণালয় থেকেও বরাদ্দ দিব। খালটাকে আরো সুন্দর করার জন্য আমি নির্দেশনা দিয়ে গেলাম। আমাদের বাংলাদেশের ৫০টি জেলায় একটি মডেল খাল আমরা চিহ্নিত করব। আশাকরি এই খালটাকেও আমরা মডেল খালের মধ্যে নিয়ে আসতে পারব। এরপর তিনি খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।’
এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।