1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
কিংবদন্তী কন্ঠশিল্পী সুবীর নন্দীর প্রয়াণ দিবস - আজকের কাগজ
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিনামূল্যে বিশ্বকাপ দেখা যাবে ইউটিউবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান: দলীয় নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রী শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে দেশ পরিচালনা হচ্ছে: স্পিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটা কোচিং সেন্টার: ববি হাজ্জাজ ‘মেসি কী করবে, আগে বোঝা যায় না’ ফুটপাতে সন্তান প্রসব মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর, দায়িত্ব নিল প্রশাসন হিলিতে ঈদ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য লিজেন্ডস ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত আদ-দ্বীনের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে নির্মাণ ত্রুটি পেয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চিড়িয়াখানায় মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ কে দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় নির্বাচনের আগে আর্মেনিয়ার পশ্চিমমুখী অবস্থান ঠেকাতে রাশিয়ার গোপন তৎপরতার অভিযোগ

কিংবদন্তী কন্ঠশিল্পী সুবীর নন্দীর প্রয়াণ দিবস

উজ্জ্বল কুমার সরকার
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৮ মে, ২০২৪ ১১:৪০ এএম
শেয়ার করুন

কিংবদন্তী শিল্পী সুবীর নন্দীর প্রয়াণ দিবসে তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
প্রায় চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি মুগ্ধ করে রেখেছিলেন বাংলা গানের শ্রোতাদের। তার কণ্ঠ ছুঁয়ে নেমেছে অসংখ্য কালজয়ী শ্রোতাপ্রিয় গান। তিনি দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী।
বাংলা গানের কিংবদন্তি সুবীর নন্দী ১৯৫৩ সালের ১৯ নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানায় নন্দীপাড়া নামক গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। জন্মেই দেখেছেন পরিবারে নিয়মিতই সংগীত চর্চা চলে। তার পিতা সুধাংশু নন্দী ছিলেন তেলিয়াপাড়া চা এস্টেটের চিকিৎসক ও সংগীতপ্রেমী মানুষ। তার মা পুতুল রানী চমৎকার গান করতেন। তিনিই তার সন্তানদের গানে হাতেখড়ি দিয়েছেন। আর সব ভাইবোনের মতো সুবীর নন্দীও মায়ের কাছে প্রথম সংগীতে শিক্ষা নেন।
আর একাডেমিক শিক্ষাতেও বেশ মেধাবী ছিলেন তিনি। পড়াশোনার অধিকাংশ সময়ই সুবীর নন্দীর কেটেছে হবিগঞ্জ শহরে। হবিগঞ্জ শহরে তাদের একটি বাড়ি ছিল, সেখানেই ছিলেন তিনি। পড়েছেন হবিগঞ্জ সরকারী হাইস্কুলে। তারপর হবিগঞ্জ বৃন্দাবন কলেজে। মুক্তিযুদ্ধের সময় সুবীর নন্দী সেকেন্ড ইয়ারে পড়তেন।
১৯৬৩ সালে অন্য নয় ভাইবোনের সঙ্গে ওস্তাদ বাবর আলী খানের কাছে শাস্ত্রীয় সংগীতে তালিম নিতেন। বাবার আগ্রহ, মা ও গুরুর কাছ থেকে পাওয়া দীক্ষা ও নিজের অজান্তে উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী পঙ্কজ মল্লিক, সায়গল, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, মান্না দে, জাগজিৎ সিং প্রমুখের ভক্তে পরিণত হয়ে সুবীর নন্দী কৈশোরেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শিল্পী হবেন। সেই স্বপ্ন পূরণ হলো ১৯৭০ সালে। ওই বছর সুবীর নন্দীর রেকর্ডকৃত প্রথম গান মোহাম্মদ মুজাক্কেরের কথায় এবং ওস্তাদ মীর কাসেম সুরারোপিত ‘যদি কেউ ধূপ জ্বেলে দেয়’ প্রকাশ পায়। এরপর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি গান করেছেন শতাধিক চলচ্চিত্রে। গেয়েছেন বেতারেও অসংখ্য জনপ্রিয় গান। আর ২৪টির মতো একক অ্যালবামও প্রকাশ পেয়েছে তার। গান গাওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু গানের সুরও করেছেন। তার গাওয়া জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে ‘আমি বৃষ্টির কাছ থেকে কাঁদতে শিখেছি,’ ‘কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো’, ‘বন্ধু হতে চেয়ে তোমার’, ‘প্রেম বলে কিছু নেই’, ‘পাখিরে তুই দূরে থাকলে’, ‘আমার এ দুটি চোখ পাথর তো নয়’, ‘নেশার লাটিম ঝিম ধরেছে’, ‘এক যে ছিল সোনার কন্যা’, ‘আশা ছিলো মনে মনে’, ‘তুমি সুতোয় বেঁধেছ শাপলার ফুল’ অন্যতম।
সুবীর নন্দী ১৯৮৪ সালে ‘মহানায়ক’ ছবিতে, ১৯৮৬ সালে ‘শুভদা’ ছবিতে, ১৯৯৯ সালে ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ছবিতে এবং সর্বশেষ ‘মেঘের পরে মেঘ’ ছবিতে গান করে ২০০৪ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এছাড়াও দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকসহ দেশে-বিদেশে নানা সম্মানে ভূষিত হয়েছেন সুবীর নন্দী। ব্যক্তি জীবনে নন্দিত এই শিল্পী দুই সন্তানের জনক। বড় মেয়ের নাম ফাল্গুনী নন্দী এবং ছোট ছেলের নাম হৃদ্যিমান।
সুবীর নন্দী দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও হার্টের অসুখে ভুগছিলেন। ৭ মে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন এই কিংবদন্তি।

এই বিভাগের আরো খবর