1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
  4. : temp-login-BxH6QyEPU5XH7Ed :
সরকারি ফ্ল্যাটে সাবলেট উচ্ছেদ: বাড়ি ছাড়তে হচ্ছে ইডেন-বদরুন্নেসার শিক্ষার্থীদের - আজকের কাগজ
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মুফতি ফয়জুল করীম |: রাষ্ট্রের সর্বস্তরে ইসলামী শরীয়াহর আদর্শ বাস্তবায়ন অপরিহার্য মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট: সময়সীমা দেড় মাস বাড়ালো বিআরটিএ স্মার্ট স্পিকার কি গোপনে সব কথা শুনে রাখছে? অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, হতে পারে ঘূর্ণিঝড়: আবহাওয়া অধিদপ্তর মৌলিক সংখ্যা কি ৬k ± ১ আকারের? জেনে নিন প্রমাণ শ্যামনগরে ১০ গুণীজন ও পাঁচ সাংবাদিক পেলেন সংবর্ধনা গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে তৃতীয় দিনেও মহাসড়ক অবরোধ ক্যাডেট কলেজে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন শুরু, পরীক্ষা ২০০ নম্বরে ইসরাইলি নির্বাচনে অচলাবস্থা, কেন ব্যালটে ছিল না গাজা

সরকারি ফ্ল্যাটে সাবলেট উচ্ছেদ: বাড়ি ছাড়তে হচ্ছে ইডেন-বদরুন্নেসার শিক্ষার্থীদের

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২:০২ পিএম
শেয়ার করুন

রাজধানীর আজিমপুর সরকারি কলোনির বিভিন্ন ভবনে সাবলেট থাকা ইডেন মহিলা কলেজ ও বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা হঠাৎ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। সরকারি আবাসন পরিদপ্তর ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সরকারি ফ্ল্যাটে সাবলেট থাকা ভাড়াটেদের সরিয়ে দেওয়ার জরুরি নির্দেশনা জারি করায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট সরকারি চাকরিজীবীর বরাদ্দ বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছি, যেদিন যেখানে পেরেছি, থেকেছি। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সরকারি আবাসন পরিদপ্তর গত বৃহস্পতিবার এ–সংক্রান্ত একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

২২ অক্টোবর বাড়িওয়ালারা হঠাৎ বাসা ছাড়ার নোটিশ দেন। ইডেন মহিলা কলেজের তৃতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী জানান, তিনি পূজার ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে থাকায় ২৬ অক্টোবর ঢাকায় ফিরে মাত্র কয়েক দিন সময় পান। বাড়িওয়ালার কঠোর নির্দেশে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে জিনিসপত্র সরিয়ে নিতে হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, বাসা ভাড়া নেওয়ার সময় দুই মাস আগে নোটিশ দেওয়ার শর্ত থাকলেও এবার তা মানা হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে বাড়ির মালিকরা খাবার গ্রহণের সৌজন্যটুকুও দেখাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। ২৬ তারিখ ঢাকায় ফিরে আর এক দিনও বাসায় থাকতে পারিনি। বাড়িওয়ালার কড়া নির্দেশ, ৩১ তারিখের মধ্যে জিনিসপত্র নিয়ে বাসা ছাড়তে হবে। কিন্তু তখন আমি দুর্গাপূজার ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে ছিলাম। কিন্তু ইতিমধ্যে সবাইকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ রকম অভিযোগ পাওয়া যায়।

শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে আজিমপুর কলোনির এক ভবনে আসবাবপত্র ভ্যানে তোলার সময় ইডেন কলেজের ওই শিক্ষার্থী জানান, প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত নতুন বাসা খুঁজেও কোনো দিশা পাচ্ছেন না। ডিসেম্বরেই তাদের চূড়ান্ত পরীক্ষা, অথচ এমন পরিস্থিতিতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতা ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘এই ট্রমা কাটাতেই আমাদের এক মাস সময় লেগে যাবে।’ তাঁরা আমাদের একবেলা খাবার খেতেও বলেননি।’। আজ শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাঁকে একটি ভ্যানে আসবাব ও অন্যান্য জিনিসপত্র তুলতে দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেব, আমি জানি না। শিক্ষার্থী বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় প্রতিদিন রাত ১১–১২টা পর্যন্ত বাসা খুঁজেছি।

বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের আরেক শিক্ষার্থী একই ধরনের সংকটের কথা তুলে ধরে জানান, হলে সিট না পাওয়ার কারণেই তারা বাইরে সাবলেট থাকতেন। এখন হঠাত বাসা ছাড়ার নির্দেশে তাদের পড়াশোনা ও শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি ভিত্তিতে আবাসিক হলে সিট বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন, যাতে আগামীতে কোনো শিক্ষার্থীকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়। কাছে এভাবেই নিজের ভোগান্তির কথা জানান তিনি। কলেজের আবাসিক হলে থাকার কোনো ব্যবস্থা হওয়ার সুযোগ আছে কি না, জানতে চাইলে ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘হলে সিট পাইনি বলেই তো আমরা বিভিন্ন জায়গায় ভাড়া থাকছি। আমরা এখন নিরাপত্তার শঙ্কায় ভুগছি।’। কেউ কেউ হয়তো একটি রুম ভাড়া দিয়েছিলেন।

সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের গত বৃহস্পতিবারের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি বাসা বরাদ্দপ্রাপ্ত চাকরিজীবীদের নিজস্ব বাসস্থানে বসবাস করতে হবে। অন্য কাউকে সাবলেট বা ভাড়া দেওয়া যাবে না। ৩১ অক্টোবরের পর কোনো ফ্ল্যাটে ভাড়াটে পাওয়া গেলে বরাদ্দ বাতিল এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিষয়ে ২২ নম্বর ভবন পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বলেন, সরকারি বাসায় কম বেতনের অনেক কর্মচারী সাবলেট দিয়ে বাড়তি আয়ের চেষ্টা করেন। তবে বর্তমানে সবাইকে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং কোনো ভাড়াটে আর নেই বলে তিনি দাবি করেন।

এই বিভাগের আরো খবর