1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
দেশে ওমিক্রনে আক্রান্ত করোনা রোগীর ৮২ শতাংশই - আজকের কাগজ
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আমরাই যেচে সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম: টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সংসদে স্পিকার এবার লোহিত সাগরে সামরিক অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের ইরানকে অস্ত্র না দিতে শি জিনপিংকে চিঠি পাঠালেন ট্রাম্প হঠাৎ কমলো স্বর্ণের দাম বার কাউন্সিলে নির্বাচন করতে হাইকোর্টে রিট ব্যারিস্টার সুমনের দুই মাসে ‘ট্র্যাপে ফেলে’ মিরপুরে ১৩ ধর্ষণ, অভিযুক্ত রাব্বি গ্রেপ্তার নাগরিকদের ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ইস্টার্ন রিফাইনারি ‘লো-ফিডে’ চালু, সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়বে না: জ্বালানি মন্ত্রণালয়

দেশে ওমিক্রনে আক্রান্ত করোনা রোগীর ৮২ শতাংশই

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২ ১:৫৭ পিএম
শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কভিড-১৯ এর ৯৩৭টি জেনোম সিকোয়েন্সিং গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিএসএমএমইউ’র জেনোম সিকোয়েন্সিং রিসার্চ প্রজেক্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষক (সুপারভাইজার) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ এই তথ্য জানান।

এ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিএসএমএমইউ’র গবেষণায় ৯ মাস থেকে শুরু করে ৯০ বছরের বয়স পর্যন্ত রোগী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এর মধ্যে এখন ৩০ থেকে ৫৯ বছর বয়সের রোগীদের সংখ্যা বেশি।

শিশুদের মধ্যেও কভিড সংক্রমণ পাওয়া গেছে। পুরুষ ও নারীদের আক্রান্তের হার প্রায় সমান সংখ্যক ৪৯ শতাংশ পুরুষ ৫১ শতাংশ নারী। কভিড আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে যাদের কো-মরবিডিটি রয়েছে, যেমন-ক্যান্সার, উচ্চরক্তচাপ, শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস তাদের মধ্যে এ রোগের প্রকট বেশি।

কভিড-১৯ এর জেনোম সিকোয়েন্সিং বিশ্লেষণ গবেষণায় গতবছরের জুলাইয়ে মোট সংক্রমণের প্রায় ৯৮ শতাংশ ছিল ইন্ডিয়ান বা ডেল্টা ভেরিয়েন্ট। ১ শতাংশ হয়েছিল সাউথ আফ্রিকান বা বেটা ভেরিয়েন্ট দ্বারা সংক্রমণ, ১ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে মরিসাস ভেরিয়েন্ট বা নাইজেরিয়ান ভেরিয়েন্ট পাওয়া যায়। গতবছরের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত জিনোম সিকোয়েন্সে প্রাপ্ত ডাটা অনুযায়ী ৯৯ দশমিক ৩১ শতাংশ ডেলটা ভেরিয়েন্ট, একটি করে ভেরিয়েন্ট অব কনসার্ন-আলফা বা ইউকে ভেরিয়েন্ট এবং বেটা বা সাউথ আফ্রিকান ভেরিয়েন্ট এবং অন্য একটি স্যাম্পল এ শনাক্ত হয় 20B ভেরিয়েন্ট-যা SARS-COV-2-এর একটি ভেরিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট।

গবেষণায় প্রধাণত ডেল্টা ভেরিয়েন্টের মধ্যে ডেল্টার ৮টি সাব-ভেরিয়েন্ট পর্যবেক্ষিত হয়েছে। সেগুলো হলো- AY.122, AY.122.1, AY.131, AY.26, AY.29, AY.30, AY.39, AY.4।

৮ ডিসেম্বর ২০২১ থেকে ৮ জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত সংগৃহীত স্যাম্পলের ২০ শতাংশই ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট ছিল। এ সময় ওমিক্রনের মাত্র একটি সাব-ভেরিয়েন্ট BA.1 এবং ৮০ শতাংশ ডেল্টা ভেরিয়েন্ট পাওয়া যায়। চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সর্বমোট ভর্তি রোগী এবং বহির্বিভাগে রোগীর মধ্যে ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট ৮২ শতাংশ এবং ১৮ শতাংশ ডেল্টা ভেরিয়েন্ট পেয়েছে। এই সময়ে ওমিক্রনের সাব-ভেরিয়েন্ট BA.1, BA.1.1, BA.2  (৩টি ধরণ) পরিলক্ষিত হয়েছে এবং WHO-এর মতে BA.2 বেশি সংক্রামক।

এর মধ্যে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্যাম্পলের সংখ্যা ১৬৮টি। এই  স্যাম্পলের মধ্যে ওপিডির স্যাম্পলের সংখ্যা ১২০টি এবং ভর্তিকৃত রোগীদের স্যাম্পল সংখ্যা ৪৮টি। ওপিডির স্যাম্পলের জেনোম সিকোয়েন্সিং করে কভিড-১৯ এ আক্রান্তদের ৮৮ শতাংশ ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট এবং ১২ শতাংশ ডেল্টা ভেরিয়েন্ট পাওয়া গেছে।

গত ২৯ জুন, ২০২১ থেকে গতকাল ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কভিড-১৯ আক্রান্ত সারা দেশব্যাপী রোগীদের ওপর এই গবেষণা পরিচালিত হয়। এই গবেষণায় বাংলাদেশের সকল বিভাগের রিপ্রেজেন্টেটিভ স্যাম্পলিং করা হয়েছে। গবেষণায় মোট ৯৩৭ কভিড-১৯ পজিটিভ রোগীর ন্যাযোফ্যারিনজিয়াল সোয়াব স্যাম্পল থেকে নেক্সট জেনারেশন সিকোয়েন্সিং এর মাধ্যমে করোনাভাইরাসের জেনোম সিকোয়েন্সিং করা হয় এবং জেনোম সিকোয়েন্সিং-এর সাথে রোগীর তথ্য উপাত্তের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হয়।

বর্তমানে ভর্তিকৃত রোগীদের ৬৫ শতাংশ ওমিক্রন এবং ৩৫ শতাংশ ডেল্টা ভেরিয়েন্ট পাওয়া গেছে। ওপিডি ও ভর্তিকৃত রোগীদের ৮২ শতাংশ ওমিক্রনে আক্রান্ত। বর্তমানে ওমিক্রনের সাব-ভেরিয়েন্ট BA.1, BA.1.1, BA.2 এই ৩টি ধরণ পাওয়া গেছে এবং BA.2 বেশি সংক্রামক।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, প্রত্যেক করোনাভাইরাস ভেরিয়েন্ট বিপদজনক এবং তা মারাত্মক অসুস্থতা এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। পাশাপাশি ভাইরাসের নিয়মিত মিউটেশনের আমাদের প্রচলিত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঝুঁকিপূর্ণ করতে পারে। তাই করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে ও টিকা গ্রহণ করতে হবে।

এ সময় উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মাসুদা বেগম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, প্রধান গবেষক বিশ্ববিদ্যালয়ের এনাটমি বিভাগের চেয়ারম্যান ও জেনেটিক্স অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিষয়ক অধ্যাপক প্রধান গবেষক ডা. লায়লা আনজুমান বানু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *