
নদী ভাঙন, বন্যা, ঘুর্ণিঝড় নিয়েই আমাদের বসবাস করতে হবে। আলাদ্দিনের চেরাগ ছাড়া এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে আমাদের রক্ষা পাওয়ার উপায় নেই। তারপরও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নদী ভাঙন এলাকাতে প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও ড্রেজিং করে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালাচ্ছে। অতীতে কোনো সরকার কিন্তু কোনো কাজ করেনি।”
কুড়িগ্রামে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন কালে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, উপরোক্ত কথাগুলি বলেন। তিনি আরো বলেন, কুড়িগ্রামে বেশ কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে। বাংলাদেশের সব জায়গায় নদী ভাঙন রয়েছে। সব দিকেই নজর দিতে হয়। সে তুলনায় কুড়িগ্রাম-গাইবান্ধা পিছিয়ে নেই। ধর্য্য ধরতে হবে, রাতারাতি সব ঠিক হয়ে যাবে না।এ সময় তিস্তা প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক রোববার (২ জুন) দুপুরে হেলিকপ্টারে কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে রৌমারী উপজেলার সোনাপুর হাইস্কুল মাঠে সুধি সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের এমপি বিপ্লব হাসান পলাশ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের এমপি সৌমেন্দ্র প্রসাদ পান্ডে, গাইবান্ধা-৫ আসনের এমপি মাহামুদ হাসান, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব আ.ল.ম বজলুর রশিদ রংপুর বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. মাহবুবুর রহমানসহ কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিব হাসান প্রমুখ।
পরে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক সোনাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে হেলিকপ্টার যোগে কুড়িগ্রাম ত্যাগ করেন।এর আগে প্রতিন্ত্রী গাইবান্ধায় নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন ও সুধি সমাবেশ করেন।
Leave a Reply