1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
কয়েক দিনে পাহাড়ধসে ৩০ জন মারা গেছে: সংসদে ত্রাণমন্ত্রী - আজকের কাগজ
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ মিরপুরের ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় জামায়াতের ৫০ লাখ টাকা অনুদান দেশে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই, দাবি অপারেটরদের ডেঙ্গুর ভয়াবহতা: একদিনে ৮ জনের প্রাণহানি, লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত সাইবার আইনে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কালিয়াকৈরে ভ্রাম্যমান আদালতে চার মাদকসেবীর কারাদণ্ড ফুলবাড়ীতে ২৯ বিজিবির অভিযানে ২৯৭ বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপ জব্দ নওগাঁয় বাস শ্রমিককে মারপিট অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট যাত্রী সাধারণের ভোগান্তি চরমে তথ্যের সত্যতা ও প্রেক্ষাপট যাচাই করে প্রতিক্রিয়া জানানোর আহ্বান জানালেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

কয়েক দিনে পাহাড়ধসে ৩০ জন মারা গেছে: সংসদে ত্রাণমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬ ১০:০০ পিএম
শেয়ার করুন

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, দুর্গত এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা, খাদ্য ও নগদ সহায়তা দেওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে প্রশাসন কাজ করছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, গত কয়েক দিন বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সেখানে পাহাড় ধসে বেশ কিছু প্রাণহানি ঘটেছে। চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে ৫, কক্সবাজারে ১৯, রাঙামাটিতে এক ও বান্দরবানে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে এসব দুর্গত এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। চট্টগ্রামে ৪১১, কক্সবাজারে ৬৪০, রাঙামাটিতে ২১, খাগড়াছড়িতে ১৩৫ ও বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। নগদ টাকা ও খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্রে সুপেয় পানি ও খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী পরস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন, দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডার থেকে প্রতি জেলায় ২০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, প্রয়োজনে আরও জরুরি বরাদ্দ দেওয়া হবে।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, পাহাড় ধসে প্রাণহানি রোধে স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। এ ছাড়া জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি জেলায় ১০০ টন চাল ও দুই লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর