
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে কৃষিজমি কেটে পুকুর খননের নামে চলছিল নীরব ধ্বংসযজ্ঞ। তবে শেষ রক্ষা হয়নি—প্রশাসনের হঠাৎ অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কড়াকড়িতে এক ব্যক্তিকে গুনতে হলো ১ লাখ টাকা জরিমানা।
বৃহস্পতিবার (দুপুর ১টা) সদর ইউনিয়নের কবির মামুদ গ্রামে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দিলারা আকতার। দীর্ঘদিন ধরে কোনো বৈধ অনুমতি ছাড়াই আবাদযোগ্য জমির উর্বর মাটি কেটে পুকুর খনন করা হচ্ছিল বলে জানা গেছে।
প্রশাসন জানায়, এভাবে টপসয়েল অপসারণের ফলে জমির উৎপাদনক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পরিবেশের ভারসাম্যও হুমকির মুখে পড়ে। বিষয়টি স্থানীয়দের অভিযোগে সামনে এলে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে চন্দ্রখানা মুসল্লীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন বাবুলকে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫ ধারায় ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান ঘিরে এলাকায় তৈরি হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া। স্থানীয়রা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “এ ধরনের কঠোর ব্যবস্থা না নিলে কৃষিজমি রক্ষা করা সম্ভব নয়।”
প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—
কৃষিজমি ধ্বংসের কোনো অপচেষ্টা সহ্য করা হবে না।
জানা গেছে, অবৈধ মাটি কাটা, পুকুর খনন ও জমির শ্রেণি পরিবর্তনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Leave a Reply