1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
জাহান্নামের চেয়েও খারাপ গুলশানে লেকের অবস্থা : মেয়র আতিকুল - আজকের কাগজ
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন

জাহান্নামের চেয়েও খারাপ গুলশানে লেকের অবস্থা : মেয়র আতিকুল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪ ২:৪৬ পিএম
শেয়ার করুন

গুলশান জামে মসজিদের সামনের লেকের অবস্থা জাহান্নামের চেয়েও খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। আজ শনিবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও গুলশান সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে গুলশান লেক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘গুলশান লেক, বারিধারা লেক মূলত রাজউকের অধীনে আছে। তাদের আমি চিঠি দিয়েছি এগুলোকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অধীনে দিয়ে দেওয়া হোক, কিন্তু এই লেক এখনো রাজউকের অধীনে রয়ে গেছে। সিটি করপোরেশনকে দেয়নি। গুলশান লেকের পাশেই গুলশান জামে মসজিদ। এই মসজিদের মুসুল্লিরা আমাকে বারবার জানিয়েছেন, লেকের দূষিত পানির দুর্গন্ধ মসজিদে আসে। দুর্গন্ধে টেকা যায় না।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘গুলশান সোসাইটি, বারিধারা সোসাইটির নেতারা আমার কাছে গিয়েছেন। তারা নিজেরা এই লেক পরিষ্কারে অংশ নিতে চান। তাই হস্তান্তর করুক আর না করুক, সেটি নিয়ে চিন্তা না করে কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করতে জনগণকে নিয়ে লেক পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘গুলশান মসজিদের সামনের লেক জাহান্নামের চেয়েও খারাপ অবস্থা হয়ে আছে। এই এলাকার মলমূত্র সব এখানে ফেলা হয়। এটি মেনে নেওয়া যায় না। এই লেকগুলোতে মাছের চাষ হয় না, মশার চাষ হচ্ছে। আমি চাই এই লেকগুলোতে শিশুরা খেলবে। ওয়াটার ট্যাক্সি চলবে। আরও আধুনিক যন্ত্র থাকবে যা দিয়ে তারা খেলবে, কিন্তু পানি হয়ে আছে শতভাগ দূষিত।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখানকার কোনো মানুষ এই লেক থেকে উপকৃত হচ্ছে না। এই এলাকায় অতিরিক্ত মশা, যা এই লেকগুলো থেকে হয়। গুলশান এলাকার মানুষের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এই লেক পরিষ্কার করে দিচ্ছে।’

গুলশান লেক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

এ সময় সালমান এফ রহমান বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা নাগরিকরা এবং পুরো সমাজের সবাই যদি একসঙ্গে একটা উদ্যোগ নেই, তাহলে সেটা সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। আমাদের লেকগুলো এত সুন্দর, এগুলোকে যদি আবার জীবিত করতে পারি, তাহলে অনেক কিছু করার সুযোগ আছে। আর এটা করা সম্ভব। এটা একটা উদ্যোগের ব্যাপার। রাজউক, সিটি করপোরেশন, আমাদের সোসাইটি এবং ওয়াসাকে ডাকব। কারণ ওয়াসা সব সময় বলে যে, আমাদের ড্রেনেজ আছে, আবার নেই। তাই আমার মনে হয়, একটা সমন্বয় করে কাজগুলো করতে হবে। এটা আমি করব।’

মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, ‘মাত্র নয় মাসের ব্যবধানে আমি এই এলাকা থেকে দুইবার নির্বাচিত হয়েছি। নির্বাচনের আগে এবং পরে এই এলাকার মানুষের অনেকগুলো দাবির মধ্যে একটি দাবি বারবার আমার কাছে তুলে ধরা হয়েছিল, সেটি হলো লেকগুলো পরিষ্কার করতে হবে। শুধু গুলশানের নয় এমনকি কালাচাদপুরে যে লেক আছে, বারিধারার পেছন দিকে যে লেক আছে, এ ছাড়া অনেকগুলো লেক আছে যেগুলো পরিষ্কার করা দরকার।’

তিনি বলেন, ‘আর দেরি করতে চাই না। আমার একটা প্রত্যাশা থাকবে শুধু লেকগুলো পরিষ্কার হবে তাই নয়, আগামী দিনেও যাতে লেকগুলো পরিষ্কার থাকে এবং যত্ন নেওয়া হয় সেই ব্যবস্থা আমরা সবাই মিলে করব।’

পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অন্যান্যের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফিদা হাসান, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মফিজুর রহমান, অঞ্চল-০৩-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুলকার নায়ন, গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত প্রমুখ।

এই বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *