
গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর উপজেলায় বিবেক শাঁখারিকে হত্যার দায়ে ১৪ বছর পর এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্বাস উদ্দীন আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) মো. শহিদুজ্জামান খান।
দণ্ডপ্রাপ্ত মহানন্দ তালুকদার (৪৯) উপজেলার দক্ষিণ জলিরপাড় গ্রামের পঞ্চানন তালুকদারের ছেলে।
মামলার বরাতে আইনজীবী বলেন, ২০০৮ সালের ২৯ মে বিবেক শাঁখারির স্ত্রী শিবানী রানী শাঁখারি একটি এনজিও থেকে ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে স্বামীর হাতে তুলে দেন। বিবেকের তাস দিয়ে জুয়া খেলার নেশা ছিল। তার সঙ্গী ছিলেন মহানন্দ।
বিবেকের কাছে টাকা আছে জানতে পেরে মহানন্দ ওইদিন বিবেক শাঁখারিকে কৌশলে নিয়ে হত্যা করেন এবং পরে লাশ একটি পাট ক্ষেতে ফেলে রাখে।
পরের দিন ৩০ মে পুলিশ বিবেকের লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বিনয় শাঁখারি বাদী হয়ে মহানন্দ তালুকদারসহ চার জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা ইব্রাহিম পটোয়ারী ২০০৮ সালের ১১ নভেম্বর চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।
আইনজীবী বলেন, আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন শওকত আলী সিকদার।
Leave a Reply