1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, নিন্দা ‘সব ধরনের আগ্রাসনের’ - আজকের কাগজ
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ঢাকা উত্তরে আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক ১১ দফা দাবিতে রুয়েট সিএসই বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, ২য় দিনের মতো আন্দোলন চলমান হাকিমপুরে পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় মঞ্চে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন উদ্ভাবনী প্রকল্প বিভাজনের সুর: টুকরো টুকরো হওয়ার শঙ্কায় যুক্তরাজ্য! সৃজনী বহুমুখী সমবায় সমিতির মনোনয়ন ফরম নিয়ে হট্টগোলের ভিডিও ধারণ কালে সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই, সেপ্টেম্বরে ১২ দিনেই ৫২ মৃত্যু আসুন, এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি: প্রধানমন্ত্রী নবম পে-স্কেল নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত, আসছে বড় পরিবর্তন

ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, নিন্দা ‘সব ধরনের আগ্রাসনের’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৫:৪১ পিএম
শেয়ার করুন

ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন শুরুর আগে জোটের সদস্যদেশগুলো একটি যৌথ ঘোষণার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। শনিবার বিকেলে ঘোষণাপত্রটি প্রকাশ করা হবে। এতে কোনো দেশের নাম সরাসরি উল্লেখ না করে ‘সব ধরনের আগ্রাসনের’ নিন্দা জানানো হবে। সংঘাত নিরসনে ‘সংলাপ ও কূটনীতিকে’ সামনে রাখার কথাও বলা হবে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, শনিবার বিকেল ৪টায় ‘ব্রিকস নিউ দিল্লি ডিক্লারেশন’ প্রকাশ করা হবে। এর আগে রয়টার্স চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছিল, নেতারা ঘোষণাপত্রটি অনুমোদন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যৌথ ঘোষণায় কী ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে ব্রিকসের সদস্যদেশগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। বিশেষ করে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য থাকায় ঐকমত্যে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছিল।

এবারের সম্মেলনের আগে ব্রিকসের কূটনীতিকেরা কয়েক দিন ধরে যৌথ ঘোষণার ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন। শেষ পর্যন্ত এমন একটি ভাষায় ঐকমত্য হয়েছে, যা ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত-দুই দেশই মেনে নিতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

চলমান যুদ্ধের কারণে আগস্টে ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন স্থগিত করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। যুদ্ধের সময় আমিরাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাও ঘটেছে।

এর আগে মে মাসে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ইরান ও আমিরাতের মতপার্থক্যের কারণে কোনো যৌথ বিবৃতি দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে এবার সদস্যদেশগুলোকে একটি অভিন্ন অবস্থানে আনতে পারাকে ভারতের কূটনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারত এবার ব্রিকসের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে। দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট মোকাবিলায় ‘সংলাপ ও কূটনীতিকে’ সমাধানের পথ হিসেবে তুলে ধরছে। একই সঙ্গে জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সরবরাহ বহনকারী জাহাজের নিরাপদ চলাচলের ওপরও জোর দিচ্ছে নয়াদিল্লি।

বৈশ্বিক অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে চাইছে ব্রিকস। জোটের কয়েকটি দেশ বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মতো প্রতিষ্ঠানে সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে। তাদের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রভাব বেশি।

এবারের সম্মেলনে বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়ানো, বাণিজ্যিক বাধা কমানো এবং ব্যবসার সুযোগ সম্প্রসারণে জোর দিচ্ছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইসরায়েল, ইরান ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ভারসাম্য ধরে রাখার চেষ্টা করছেন।

নয়াদিল্লির এবারের সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এবং আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানসহ জোটের নেতারা অংশ নিচ্ছেন।

ব্রিকসের সদস্যদেশগুলোর সম্মিলিত জনসংখ্যা বিশ্বের ৪০ শতাংশের বেশি। বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও তাদের অংশ প্রায় এক-চতুর্থাংশ।

সূত্র- এনডিটিভি ও রয়টার্স

এই বিভাগের আরো খবর