1. ajkerkagojbd22@gmail.com : Ajker Jagoj : Ajker kagoj
  2. asikkhancoc085021@gmail.com : asikengg :
  3. minniakter1@gmail.com : minni akter : minni akter
ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল সংসদে পাস - আজকের কাগজ
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল সংসদে পাস মেট্রোরেলের ২৭ বেয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিলারে ফাটল সিরিয়ায় অস্ত্রের গুদামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ১৪ রুয়েটের নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্থার অভিযোগে ন্যাশনাল ট্রাভেলসের কর্মচারী চাকরিচ্যুত কৃষি,মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের মায়ের জানাজা অনুষ্ঠিত ইজিবাইকের গোপন বক্সে অস্ত্র-গুলি, টেকনাফে ৩ ‘ডাকাত’ আটক হিলিতে কাস্টমসের জব্দ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস মানবপাচার থেকে অপহরণ-ডাকাতি মুন্সিগঞ্জে শিলইয়ে ছয় মাসে ১৫ চুরি, আতঙ্কে এলাকাবাসী ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে না এলে হাসিনার মতো পরিণতি হবে

ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল সংসদে পাস

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:৩১ পিএম
শেয়ার করুন

ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের লক্ষ্যে আনা ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। এ সময় অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রতিবেদনও উপস্থাপন করা হয়।

বিলটি পাসের সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮(ক) ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কারণ, ধারাটিতে নির্ধারিত কঠোর নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণ করে কোনো ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এগিয়ে আসেননি।

তিনি বলেন, সংকটে থাকা তফসিলি ব্যাংক পুনর্গঠনের জন্য বাজারভিত্তিক একটি বিকল্প কাঠামো তৈরির উদ্দেশ্যে ১৮(ক) ধারা যুক্ত করা হয়েছিল। এর লক্ষ্য ছিল ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ও তারল্য সংকট মোকাবিলা, আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা এবং ব্যাংক অবসায়ন না করে সরকারি অর্থের ওপর চাপ কমানো।

অর্থমন্ত্রী জানান, ধারাটিতে যোগ্য ও সক্ষম প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কঠোর কিছু শর্ত রাখা হয়েছিল। তবে আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে কোনো ব্যক্তি, শেয়ারহোল্ডার বা প্রতিষ্ঠান ওই সব শর্ত পুরোপুরি পূরণ করতে পারেনি। ফলে ধারাটির মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত না হওয়ায় এটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বিল অনুযায়ী, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারা সম্পূর্ণভাবে রহিত হবে।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশে ১৮(ক) ধারা ছিল না। পরে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর অধ্যাদেশটি সংশোধন করে আইন হিসেবে অনুমোদনের সময় ধারাটি যুক্ত করা হয়।

ধারাটি নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয় ব্যাংক রেজল্যুশন আইন পাসের পর। সমালোচকদের আশঙ্কা ছিল, এর মাধ্যমে রেজল্যুশনের আওতায় নেয়া ব্যাংকের সাবেক বা বিতর্কিত পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডাররা পুনরায় ব্যাংকের মালিকানায় ফেরার সুযোগ পেতে পারেন।

ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যাংক রেজল্যুশন প্রক্রিয়ায় যাওয়ার আগে ওই ব্যাংকের শেয়ার ধারণকারী শেয়ারহোল্ডাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে পুনরায় ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায় অধিগ্রহণের আবেদন করতে পারতেন। একই সুযোগ অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেও দেয়ার বিধান ছিল।

পাঁচটি সমস্যাগ্রস্ত ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠনের প্রক্রিয়ায় সাবেক পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারদের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিলে ১৮(ক) ধারা বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। পরে সমালোচনার মুখে সরকার ধারাটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, আইন কার্যকর হওয়ার পর নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ধারাটি বাতিল করাই যথাযথ।

এই বিভাগের আরো খবর